প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

মার্জিন ঋণধারীদের তথ্য চেয়েছে এলআর গ্লোবাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কাছ থেকে মার্জিন ঋণধারী বিনিয়োগকারীদের তালিকা চেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ইলেকট্রনিক ট্যাক্সপেয়ার্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ই-টিআইএন) এবং বিও হিসাবের বিস্তারিত তথ্য হালনাগাদের অনুরোধ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ঘোষিত লভ্যাংশের ওপর পাঁচ শতাংশ কর অব্যাহতির জন্য বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ১২ অঙ্কের ই-টিআইএন কোম্পানির রেকর্ড ডেটের আগে হালনাগাদ করার অনুরোধ করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-টিআইএন হালনাগাদ করতে ব্যর্থ হলে ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ সেকশন ৫৪ অনুযায়ী লভ্যাংশের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে বিনিয়োগকারীকে। যাদের ১২ অঙ্কের ই-টিআইএন হালনাগাদ রয়েছে, তাদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে হবে।  আর এসব ডকুমেন্ট এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ইনভেস্টর রিলেশন অফিসে (পুরাতন ইত্তেফাক ভবন, চতুর্থ তলা, আর.কে. মিশন রোড, ঢাকা) পাঠাতে বলা হয়েছে।

এদিকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কাছে মার্জিন ঋণধারীদের নাম, সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য, তাদের ব্যাংক হিসাবের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, রাউটিং নম্বর জমা দিতে বলা হয়েছে। আর যে বিনিয়োগকারী নগদ লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য, তাদের রেকর্ড ডেটের আগে সব তথ্য ১৩ ডিসেম্বরের আগে জমা দিতে অনুরোধ করেছে ফান্ডটি।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির ফান্ডটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ২৬ পয়সা এবং ইউনিটপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৮১ পয়সা ও ১১ টাকা ২৮ পয়সা।

রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা ছিল ৫ ডিসেম্বর। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই বছর কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৫ কোটি ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা, এটি আগের বছর ছিল ২১ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

গতকাল ফান্ডটির ৩৪ লাখ এক হাজার টাকার ইউনিট লেনদেন হয়। দিনজুড়ে চার লাখ ৯২ হাজার ৩৭৪টি ইউনিট মোট ৫৫ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে চার দশমিক ১৭ শতাংশ বা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি ইউনিট সর্বশেষ ছয় টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ছয় টাকা ৯০ পয়সা। ইউনিটদর সর্বনিম্ন ছয় টাকা ৮০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ সাত টাকায় হাতবদল হয়।