প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

মার্জিন ঋণধারীর তালিকা চেয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কাছ থেকে মার্জিন ঋণধারী বিনিয়োগকারীর তালিকা চেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কাছে মার্জিন ঋণধারীদের নাম, বিনিয়োগকারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ১২ অঙ্কের ই-টিআইএন নম্বর, শেয়ারহোল্ডার পজিশন প্রভৃতি আগামী বৃহস্পতিবারের আগে জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০১২ সালে পুাঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৪ মাসের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা  ৬৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থের প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৪১ পয়সা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল, যা আগের বছর থেকে তিন শতাংশ কম। ওই সময় ইপিএস হয়েছিল দুই টাকা ৩৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ১৬ টাকা ৪০ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৩৫ পয়সা ও ১৬ টাকা ২৫ পয়সা।  ওই বছর কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৯ কোটি ২৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩১১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছিল ৩৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৫ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বড়েছে ২৮ পয়সা। চলতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভি ছিল ১৫ টাকা ৮২ পয়সা, যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে ছিল ১৫ টাকা ৪৫ পয়সা।

গতকাল কোম্পানিটির ২১ কোটি ৪৪ লাখ ৭১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৬০ লাখ ৭৭ হাজার ১৭৪টি শেয়ার দুই হাজার ৫৯৬ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ বা এক টাকা ২০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৩৫ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৫ টাকা ৪০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৩৪ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৬ থেকে ৫৭ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (ইপি) অনুপাত ১৫ দশমিক ১৩ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ২৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। কোম্পানিটির ৩১ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫৬ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩১ দশমিক ৩৪ শতাংশ শেয়ার।