বিশ্ব সংবাদ

মালদ্বীপে দূতাবাস করবে যুক্তরাষ্ট্র: পম্পেও

শেয়ার বিজ ডেস্ক : দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ‘বেআইনি’ দাবি প্রত্যাখ্যান করে নিজের পানিসীমা সুরক্ষার ইন্দোনেশিয়ার প্রচেষ্টাকে সম্মান করে যুক্তরাষ্ট্র। তাই জাকার্তাকে সহযোগিতার নতুন পথ খুঁজবে ওয়াশিংটন। পাঁচ দিনের এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়া গিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এর আগেরদিন মালদ্বীপ সফরে গিয়ে প্রথমবারের মতো  দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস খোলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। খবর: বিবিসি ও রয়টার্স। 

সফরে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মারসুদির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন পম্পেও। এ সময় তিনি দক্ষিণ চীন সাগরের নাটুনা দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী পানিসীমায় নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জাকার্তার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। চীন সাগরের এ অঞ্চলটিরও মালিকানা দাবি করে থাকে। সংবাদ সম্মেলনে নাটুনা দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী পানিসীমায় চীনের দাবিকে বেআইনি হিসেবে আখ্যায়িত করেন পম্পেও।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বিশ্বের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক রুটগুলোকে সুরক্ষিত রাখে। আমি সামুদ্রপথের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে নতুন উপায়ে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা করার অপেক্ষায় রয়েছি।

এমন সময়ে পম্পেও ইন্দোনেশিয়া সফর করলেন, যার কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা বিমানকে নিজ দেশে অবতরণের অনুমতি দিয়ে অস্বীকৃতি জানায় জাকার্তা। ওই গোয়েন্দা বিমানগুলো ছিল প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের পি-৮ পোসেইডন মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স প্লেন। এই বিমানগুলো মূলত দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতার প্রতি নজর রাখে। মার্কিন কর্মকর্তারা এগুলোকে ইন্দোনেশিয়ায় অবতরণ এবং সেখান থেকে জ্বালানি নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে এমন আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে জাকার্তা।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো যুক্তরাষ্ট্রের ওই আহ্বান প্রত্যাখ্যানের আগে বিষয়টি নিয়ে জাকার্তার উচ্চপর্যায়ে দফায় দফায় যোগাযোগ করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ফলে দৃশ্যত উচ্চপর্যায়ের এসব যোগাযোগ কোনো কাজে আসেনি। পাঁচ দিনের এশিয়া সফরে পম্পেও গত সোমবার ভারতে যান। সেখান থেকে বুধবার তিনি প্রথমে শ্রীলঙ্কায় এবং পরে মালদ্বীপ যান। মূলত এ অঞ্চলে চীনের বাড়তে থাকা প্রভাব মোকাবিলার কৌশল হিসেবে এশিয়ার দেশেগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে পম্পেওর এ সফর।

গত বুধবার মালদ্বীপের রাজধানী মালের কাছের একটি রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে পম্পেও বলেন, চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের সঙ্গে বেআইনি, আগ্রাসী আচরণ করছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..