প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

মালেক স্পিনিং মিলস লি. উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ছে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বস্ত্র খাতের মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেএম ফেব্রিকস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি প্রতিবছর এক কোটি ৩০ লাখ সংখ্যক পণ্য বেশি উৎপাদনের লক্ষ্যে বিএমআরই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। এজন্য নিজ তহবিল ও ব্যাংকঋণ মিলিয়ে ৯২ কোটি ৬২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠানটি। তবে মালেক স্পিনিং মিলকে এজন্য কোনো অর্থ দিতে হবে না বলে জানিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ।  গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জেএম ফেব্রিকস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে কারখানার সংস্কার, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের (বিএমআরই) পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এর অংশ হিসেবে কারখানায় নতুন একটি পণ্য লাইন স্থাপন করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কোম্পানিটির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা চার কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার থেকে বেড়ে পাঁচ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজারে উন্নীত হবে। এ ছাড়া অধিক মূল্য সংযোজনের কারণে কোম্পানির পণ্য অধিক মূল্যে বিক্রি করা হবে। এতে করে আগামীতে মালেক স্পিনিংয়ের আর্থিক প্রতিবেদনে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিটির উৎপাদন সক্ষমতা, বিক্রি ও মুনাফার প্রভাব পড়বে।

গতকাল ডিএসইতে মালেক স্পিনিংয়ের প্রতিটি শেয়ারের দর ১০ পয়সা বা দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে সর্বশেষ ২৩ টাকা ৯০ পয়সায় বিক্রি হয়। শেয়ারটির সর্বশেষ দর হয় ২৪ টাকা। চার লাখ ৪৫ হাজার ৬৬৯টি শেয়ার ৩২৪ বার হাতবদল হয়। যার বাজার মূল্য এক কোটি আট লাখ ১০ হাজার টাকা। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৮১ পয়সা। মুনাফা হয়েছে ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। সর্বশেষ ২০১৬ সালের আর্থিক বছর শেষে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। ২০১৫ সালে দেয় ১২ শতাংশ নগদ। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় হয় এক টাকা ৫২ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৪৫ টাকা ১৫ পয়সা। এ সময় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৯৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৫৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং তাদের ১৯ কোটি ৩৬ লাখ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালক ৪৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৩২ দশমিক ১৫ শতাংশ, বিদেশি পাঁচ দশমিক ১৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ১৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ শেয়ার।