প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের ইপিএস কমেছে ১৭ পয়সা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের ইপিএস কমেছে ১৭ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অনিরীক্ষিত প্রান্তিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৬৫ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮২ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরে ইপিএস কমেছে ১৭ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) ২৯ টাকা ২৪ পয়সা দাঁড়িয়েছে, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে ২৮ টাকা ৫৯ পয়সা ছিল। এক বছরে এনএভি ৬৫ পয়সা কমেছে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ৫৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৫৯ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য ২৯ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণে (দৌলতদিয়া, চুয়াডাঙ্গা) অনুষ্ঠেয় বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) উপস্থাপন করা হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর।

গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের দিনের চেয়ে এক দশমিক ৬৬ শতাংশ বা এক টাকা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৬৫ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬৪ টাকা ২০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৭৫টি শেয়ার দুই হাজার ২৬২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর আট কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬৩ টাকা ৯০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬৫ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৫২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৭৯ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। ৮০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২৭ কোটি সাত লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি ১৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচ্য সময়ে ইপিএস ছিল এক টাকা ৯৪ পয়সা এবং এনএভি ছিল ২১ টাকা ৫৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে তিন টাকা দুই পয়সা ও ২৩ টাকা ৫৫ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল চার কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল পাঁচ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটি তৃতীয় প্রান্তিকে কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে চার কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল এক টাকা ৫৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা করেছিল তিন কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ছিল এক টাকা ২০ পয়সা, যা প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা ছিল দুই কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ছিল ৯৬ পয়সা। কোম্পানির দুই কোটি ৭০ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬৯টি শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৪১ দশমিক ৩২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৮ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।