দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

মুনাফা তুলে নেওয়ায় সূচক নিন্মমুখী

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে মুনাফা তুলে নিয়েছেন অধিকাংশ বিনিয়োগকারী। কয়েক দিন আগে কেনা শেয়ার বিক্রিযোগ্য হওয়ায় গতকাল সকাল থেকেই বিক্রয় আদেশ বাড়তে থাকে, যে কারণে একসময় ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যা বেশি পরিলক্ষিত হয়। আর এতে কমতে শুরু করে শেয়ারদর। কিন্তু তারপরও কিছুটা কম লাভে হলেও শেয়ার বিক্রি করতে দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের।

এদিকে বিক্রির চাপ থাকায় গতকাল লেনদেন আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৩৭৭ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এদিনও মূল মার্কেটে বেশ সন্তোষজনকভাবে লেনদেন হতে দেখা যায়। মোট লেনদেন মাত্র ৪৮ কোটি টাকা ছিল ব্লক মার্কেটের লেনদেন।

অন্যদিকে বিক্রির চাপ থাকায় গতকাল অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর হ্রাস পায়, যার জের ধরে দিন শেষে সূচকের নি¤œমুখী প্রবণতা দেখা যায়। গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক হ্রাস পায় ৯ পয়েন্ট। দিন শেষে সূচক স্থির হয় চার হাজার ৮৯ পয়েন্টে। এতে বিনিয়োগকারীদের ভয়ের কিছু নেই। কারণ মুনাফা তোলার দিনে সাধারণত বাজারের সূচক নি¤œমুখী দেখা যায়।

এদিকে খাতভিত্তিক লেনদেন বিচার করলে দেখা যায়, বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি মুনাফা তুলেছেন ওষুধ ও রসায়ন খাত থেকে, যে কারণে দিন শেষে এ খাতের শেয়ারদর সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেতে দেখা গেছে। কিন্তু লেনদেনের হিসাবে গতকালও এই খাতটি এগিয়ে ছিল। মোট লেনদেনের প্রায় ৩০ শতাংশই ছিল এই খাতের কোম্পানির অবদান। এছাড়া গতকাল ব্যাংক খাত থেকেও মুনাফা তুলেছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে এই খাতের শেয়ার থেকে যারা স্বল্পসংখ্যক শেয়ার বিক্রি করেছেন তারা বেশি লাভবান হতে পারেননি। কারণ শেয়ারদর বেড়েছে খুবই সামান্য। তবে যাদের হাতে বেশি শেয়ার ছিল, তারা বেশ লাভবান হয়েছেন। দর কমলেও মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল সন্তোষজনক। মোট লেনদেনের ২২ শতাংশই ছিল এই খাতের অবদান।

এছাড়া গতকাল প্রকৌশল, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং বস্ত্র খাতের শেয়ারের প্রতিও বেশ আগ্রহ দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের। বিশেষ করে বস্ত্র খাতের কম দামি শেয়ারে ভিড় ছিল লক্ষণীয়। বর্তমানে বস্ত্র খাতে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ার অভিহিত দরের নিচে রয়েছে। পাঁচ টাকার কমেও মিলছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর, যে কারণে এসব শেয়ারের চাহিদা ছিল বেশ ভালো। এই খাতটি ছাড়াও অন্যান্য খাতের কম দামি শেয়ারেই চোখ ছিল বিনিয়োগকারীদের।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..