কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কেয়া কসমেটিকসের

অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের। সম্প্রতি অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানিটি এমন তথ্য জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে বলে জানায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। গত ২৫ আগস্ট থেকে ধারাবাহিকভাবে কোম্পানিটির শেয়ারদর বাড়ছে। ২৫ আগস্ট কোম্পানির শেয়ারদর ছিল চার টাকা ১০ পয়সা, যা গত ২০ সেপ্টেম্বর লেনদেন হয় সাত টাকা ২০ পয়সায়। এ হিসাবে ১৭ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে তিন টাকা ১০ পয়সা। আর এ দর বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ বা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৬ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬ টাকা ৪০ পয়সা। দিনজুড়ে কোম্পানিটির ৪৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩৮টি শেয়ার মোট এক হাজার বার হাতবদল হয়। যার বাজারদর দুই কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ২ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে।

সর্বশেষ ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা এক পয়সা এবং ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৩৭ পয়সা। আগের বছর একই সময় যা ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৮৭ পয়সা ও ১৫ টাকা ৭৭ পয়সা।

‘জেড’ ক্যাটেগরির ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটি ২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার দুই কোটি ১১ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভে রয়েছে ২৮০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০০ কোটি ২১ লাখ ৬ হাজার ৬৬০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের ৪৬ দশমিক ২৭ শতাংশ উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..