প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

মোট লেনদেনের এক-চতুর্থাংশ হয় বিমা খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ৫১ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হলেও সূচক ইতিবাচক ছিল। আর বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর দর বৃদ্ধির সূচক ইতিবাচক রয়েছে। এর মধ্যে ইউনাইটেড পাওয়ার, স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোন, বিএটিবিসি, লাফার্জ হোলসিম ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির সূচক ইতিবাচক করতে ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ব্যাংক খাতেও অধিকাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতে বাকি কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগের দর অপরিবর্তিত ছিল।

অন্যদিকে লেনদেনের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ হয় বিমা খাতে, যদিও এ খাতে মুনাফা তোলার প্রবণতা বেশি ছিল। এ খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের সোয়া আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের সোয়া সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের প্রায় সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে আড়াই টাকা। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের পৌনে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৭০ পয়সা। সাড়ে আট শতাংশ বেড়ে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স দর বৃদ্ধির দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৬ শতাংশ। এ খাতের ন্যাশনাল টিউবসের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ৩০ পয়সা। মুন্নু জুট স্টাফলার্সের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর কমেছে ৮৭ টাকা। পাঁচ শতাংশের বেশি বেড়ে এসএস স্টিল দর বৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে উঠে আসে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। সিলকো ফার্মার সোয়া ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে উঠে আসে। প্রায় পাঁচ শতাংশ বেড়ে ওয়াটা কেমিক্যাল দর বৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে উঠে আসে। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় আট শতাংশ। এ খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কমেছে মাত্র চার কোম্পানির দর। আর কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি। বস্ত্র খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে মালেক স্পিনিং দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফার ইস্ট নিটিং ও ডায়িংয়ের দর সাড়ে ছয় শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া এমএল ডায়িংয়ের দর প্রায় পাঁচ শতাংশ বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে লেনদেনের শীর্ষ পাঁচে অবস্থান করা সামিট পাওয়ারের প্রায় আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় তিন টাকা। ইউনাইটেড পাওয়ারের সোয়া পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ১০ টাকা ৮০ পয়সা। এছাড়া সিমেন্ট খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। খাদ্য এবং তথ্য ও প্রযুক্তি খাত ভালো অবস্থানে ছিল। 

সর্বশেষ..