কৃষি কৃষ্টি

মৎস্য গবেষণার অতীত প্রেক্ষাপট

মৎস্য চাষ উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনায় মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। আজকের আয়োজন এর নানা দিক নিয়ে

এক সময় মৎস্যসম্পদের পরিধি বেশি থাকায় জনসাধারণের মধ্যে মৎস্য চাষে তুলনামূলক কম গুরুত্ব ছিল। তাই জাতীয়ভাবে মৎস্য গবেষণার তাগিদ অনুভূত হয়নি। তবে সময়ের পরিক্রমায় মৎস্যসম্পদ হ্রাস পেতে শুরু করলে মৎস্য চাষের প্রতি জনগণের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে চাষিদের প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য মৎস্য গবেষণার প্রয়োজন পড়ে। কেননা, মৎস্য চাষ উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য এ ধরনের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রয়োজন মেটাতে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে জনবল ও অবকাঠামোগত সমস্যা থাকায় এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৬ সালে।
মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আগে দেশে কৃষিবিষয়ক গবেষণা হতো। কৃষি গবেষণার যাত্রা ১৮৯৫ সালে। বর্তমানে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (১৯৭০) ও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য গবেষণা নতুন রূপ পায়। গত শতকের পঞ্চাশ দশকের শুরুতে মৎস্যসম্পদ নিয়ে কিছু মৌলিক গবেষণা হয়। এর সূত্র ধরে মৎস্য আহরণ, উম্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি ক্ষেত্রে আগ্রহের সৃষ্টি হয়। এরই সূত্র ধরে ১৯৬৪ সালে মৎস্য অধিদফতরের অধীনে চাঁদপুরে স্বাদুপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এর মাধ্যমে বর্তমানের মৎস্য গবেষণার ধারা রচিত হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে (বিএআরসি) দেশের মৎস্য গবেষণা ও শিক্ষার উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। বিএআরসি প্রতিষ্ঠার পর থেকে মৎস্য গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান মৎস্য গবেষণার মৌলিক ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গবেষণায় নিয়োজিত। তবে গবেষণায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব ছিল। তাছাড়া গবেষণার ক্ষেত্র সৃষ্টি, মাছচাষিদের সমস্যানির্ভর গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রয়োজনে গবেষণা কার্যক্রম গড়ে তোলার গুরুত্ব অনুভব করা হয়। এ প্রয়োজনের তাগিদে মৎস্য গবেষণার দিকনির্দেশনার লক্ষ্যে বিএআরসি ১৯৮২ সালে একটি সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে একটি পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ করা হয়। সুপারিশের ভিত্তিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় মৎস্য গবেষণাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিএআরসিতে পৃথক মৎস্য ডিভিশন সৃষ্টি করা হয়। পরে ১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে ‘মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট’ নির্মাণ করা হয়। এভাবেই মৎস্য গবেষণার প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে দেশে মৎস্য গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হয়।

মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র
মৎস্য গবেষণার অতীত প্রেক্ষাপটে মৎস্য অধিদফতরের কয়েকটি গবেষণা কেন্দ্রের পরিচিতি ও গবেষণার ধরন তুলে ধরা হলো:
মৎস্য প্রযুক্তিগত গবেষণা কেন্দ্র, চাঁদপুর: ১৯৪৭ সালে কুমিল্লায় এ কেন্দ্রের কাজ শুরু হয়। পরে ১৯৬৩ সালে কুমিল্লা থেকে চাঁদপুরে স্থানান্তর করা হয়। এ কেন্দ্রের গবেষণার উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল, মৎস্য এবং জলজসম্পদের সমস্যা নিরূপণ ও গবেষণা। মৎস্যজীবী ও মৎস্য খাতে নিয়োজিতদের প্রযুক্তিগত সেবাদান। মৎস্য শিকার, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন ও গবেষণা প্রভৃতি। এছাড়া কেন্দ্রের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে ছিল, মাছের শুঁটকিকরণের কৌশল উন্নয়ন, শুশুক ও শার্কের তেলের ঔষধি গুণ নির্ধারণ। তেল নিষ্কাশন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি উদ্ভাবন। কীটনাশক ও রাসায়নিক দ্রব্যের বিশ্লেষণ ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নির্ণয়।
স্বাদুপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র, চাঁদপুর: ১৯৬১ সালে এ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। শুরুতে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় মৎস্য জীববিদ্যা বিষয়ে গবেষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে গবেষণায় অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় বিষয় যুক্ত করা হয়। এছাড়া মৎস্য প্রজননসহ অন্যান্য জলজসম্পদের জীবতাত্ত্বিক সম্পর্ক, মৎস্যরোগ নিয়ন্ত্রণ, পানিদূষণ, মৎস্য প্রজাতির সংখ্যাতাত্ত্বিক জরিপ প্রভৃতি গবেষণা করা হয়। মূলত মৎস্য চাষ, ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য এ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়।
অ্যাকুয়াকালচার গবেষণা কেন্দ্র, ময়মনসিংহ: বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী মাছ চাষের নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ৭০ দশকের শেষদিকে কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ গবেষণা কেন্দ্রে সে সময়ে মাছের প্রজনন পদ্ধতি, হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা, মুক্তা চাষ, মাছের মিশ্রচাষ প্রভৃতি বিষয়ে গবেষণা করা হয়। এছাড়া এ কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো বিদেশি মাছ যেমন বিগহেড, সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প প্রভৃতি মিশ্রচাষের গবেষণা করা হয়।
মৎস্য হ্যাচারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর: প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ সেবা সৃষ্টির জন্য রায়পুর মৎস্য হ্যাচারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ডিমওয়ালা ও পরিপক্ব মাছ প্রতিপালন এবং ব্যবস্থাপনা, হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা, নার্সারি ও পোনা প্রতিপালন প্রভৃতি বিষয়ে এ কেন্দ্রে গবেষণা করা হয়।

সুদীর্ঘকাল ধরে গবেষণায় সফলতা
বাংলাদেশে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন কেন্দ্রের অধীনে মৎস্য চাষ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরূপণ, রোগবালাই, মাছের প্রজনন ও চাষ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, সামুদ্রিক মাছের মজুত নিরূপণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ফলে মৎস্য খাতে সফলতা এসেছে। এখানে মৎস্য গবেষণার ফলে যে সাফল্য অর্জিত হয়েছে, তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো।

পুকুরে মিশ্র চাষ
গবেষণায় দেখা যায়, রুই, কাতল, সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প প্রভৃতি মাছ প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন হয়। এসব মাছ মিশ্র চাষ-উপযোগী। কারণ, এগুলো একটি অপরটির জন্য ক্ষতিকর বা প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। একই পুকুরে প্রজাতির সংখ্যা, মিশ্রণের হার, মজুত হার, সম্পূরক খাদ্যের অনুপাত প্রভৃতি গবেষণার মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া গবেষণার মাধ্যমে মিশ্র চাষে হেক্টরপ্রতি কত টন পর্যন্ত মাছ উৎপাদন করা যেতে পারে, তাও জানা সম্ভব হয়েছে।

আঁতুড় পুকুর ব্যবস্থাপনা
পোনা উৎপাদন ও চাষের জন্য অগভীর বা স্বল্পপরিসরের আঁতুড় পুকুর প্রয়োজন। গবেষণার ফলে আঁতুড় পুকুর ব্যবস্থাপনা সম্ভব হয়েছে। আঁতুড় পুকুর প্রস্তুত, রেণু মজুত, মজুতের হার, সার, খাদ্য প্রভৃতি বিষয়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব ছিল। এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে গবেষণার ফলে। এছাড়া গবেষণার মাধ্যমে আঁতুড় পুকুর ব্যবস্থাপনার দুই ধাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। প্রথম ধাপ চার থেকে পাঁচ দিনের রেণু পোনা প্রতি শতাংশে ছয় থেকে আট গ্রাম মজুত করতে হয়। এরপর দুই থেকে তিন মাস প্রতিপালন করে তিন থেকে চার ইঞ্চি বড় করা যায়। দ্বিতীয় ধাপ প্রস্তুত করা পুকুরে চার থেকে পাঁচ দিনের রেণু পোনা প্রতি শতাংশে ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম মজুত করতে হয়। পরবর্তী দুই মাস প্রতিপালন করে তিন থেকে চার ইঞ্চি আকারের চাষোপযোগী পোনা উৎপাদন করা যায়।

রাজপুঁটি চাষ
উচ্চ উৎপাদনশীল মাছের মিশ্র চাষে রাজপুঁটি সাথি প্রজাতি হিসেবে চাষ করা সম্ভব। বছরে তিন থেকে ছয় মাস পানি থাকে এমন মৌসুমে পুকুরে রাজপুঁটি চাষ করা যায়। সঠিক নিয়মে চাষ করলে চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে মাছ বাজারজাতকরণের উপযোগী হবে। পরিত্যক্ত অগভীর জলাশয়, ঘোলা ও প্রতিকূল পানিতেও রাজপুঁটি চাষ করা যায়।

সমন্বিত চাষ
মাছ-মুরগি সমন্বিত চাষ করা যায়। এ পদ্ধতিতে মাছের জন্য সার বা খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। মুরগির খাদ্যের উচ্ছিষ্টই মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উচ্চ উৎপাদনশীল মাছের মিশ্র চাষেও এ পদ্ধতি প্রযোজ্য। এ পদ্ধতিতে প্রতি শতাংশে ২০ থেকে ২৫ কেজি মাছ উৎপাদন সম্ভব। সমন্বিত পদ্ধতিতে শুধু মুরগিই নয়, হাঁসও চাষ করা যায়। এ সমন্বিত চাষের ফলে অল্প খরচে মাছ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

ধানক্ষেতে মাছ চাষ
ধানক্ষেতে মাছ চাষ মূলত মাছ-মুরগি-হাঁস সমন্বিত চাষের অনুরূপ। ধানক্ষেতে মাছ চাষের বেশ কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। মাছ ধানের ক্ষতিকর পোকামাকড় খায় বলে কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। মাছের চলাচল ও বিষ্ঠায় জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। এতে ধানের ফলন কিছুটা বাড়ে। ধানক্ষেতে রাজপুঁটি, মিররকার্প, তেলাপিয়া-জাতীয় মাছ চাষ করা লাভজনক। এজন্য ক্ষেতের আইল কিছুটা উঁচু করে ধান রোপণ করতে হবে, যাতে মাছ বেরিয়ে যেতে না পারে। ধান রোপণের ১০ থেকে ১২ দিন পর চার ইঞ্চি আকারের পোনা ছাড়া যেতে পারে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই এ ধরনের মাছ বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়।

পেন পদ্ধতিতে মাছ চাষ
পেন পদ্ধতিতে মাছ চাষ কথাটি অদ্ভুত শোনালেও এ প্রযুক্তি অনুসরণ করে অনেকেই সফল হয়েছেন। উম্মুক্ত জলাশয়ে বাঁশের বানা, চট বা জাল দিয়ে ঘেরাও করে মাছ চাষ করাই পেন পদ্ধতি। খাল, মরা নদী বা হাওর-বাঁওড়ে পেন পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। পেনে সাধারণত রুই, কাতল, মৃগেল, সিলভারকার্প প্রভৃতি মাছ চাষ করা যায়।

চিংড়ি পোনা উৎপাদনে গৃহাঙ্গন হ্যাচারি
গলদা চিংড়ি মিঠাপানির মাছ। কিন্তু এর প্রজনন ও পোনা উৎপাদনে মৃদু লোনাপানির প্রয়োজন। তাই উপকূলীয় এলাকার লোনাপানি সংগ্রহ করে স্থানীয়ভাবে সংযোজিত সঞ্চালন লাইনের সাহায্যে পুনঃসঞ্চালন পদ্ধতিতে লোনাপানি অনবরত ব্যবহার করে হ্যাচারি পরিচালিত হয়ে থাকে। এটি সহজে স্থানান্তর ও সংযোজনযোগ্য।

সংকর জাতের মাগুর পোনা উৎপাদন
দেশীয় স্ত্রী মাগুরের সঙ্গে আফ্রিকান পুরুষ মাগুরের প্রজননের মাধ্যমে সংকর জাতের মাগুর উৎপাদন করা এ প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য। সংকর মাগুরের পোনা দেশীয় মাগুরের মতো। তবে আফ্রিকান মাগুরের মতো দ্রুত বাড়ে। খেতে সুস্বাদু ও পরিবেশ সহনীয়। তাই ছোট পুকুর বা চৌবাচ্চায় সহজে চাষ করা যায়।

পাবদা ও গুলশা পোনা উৎপাদন
গবেষকরা পাবদা ও গুলশা পোনা উৎপাদনের প্রণোদিত কৌশল উদ্ভাবন করেছেন। এদের প্রজননের জন্য স্ত্রী ও পুরুষ পাবদার উভয়কে হরমোন ইনজেকশন দিতে হয়। প্রথমবারের ইনজেকশনে স্ত্রী পাবদাকে প্রতি কেজির জন্য তিন মিলিগ্রাম ও পুরুষ পাবদাকে ছয় মিলিগ্রাম হারে পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে মিশিয়ে দিতে হয়। প্রথম ইনজেকশনের ছয় থেকে আট ঘণ্টা পর স্ত্রী মাছে ১৪ থেকে ২২ মিলিগ্রাম ও পুরুষ মাছ সাত থেকে আট মিলিগ্রাম হারে হরমোন দিতে হয়। দ্বিতীয় ইনজেকশনের আট ঘণ্টা পর প্রজনন সম্পন্ন হয় ও ডিম ছাড়ার ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা পর ডিম-পোনার জš§ হয়। গুলশার ক্ষেত্রেও প্রতি কেজি স্ত্রী মাছে আট থেকে ১২ মিলিগ্রাম ও পুরুষ মাছে চার থেকে পাঁচ মিলিগ্রাম হারে হরমোনের ইনজেকশন প্রয়োজন।
সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে দেশের চাষযোগ্য সব মৌসুমি ও বাৎসরিক পুকুর বা জলাশয় অচিরেই বিজ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর মাছ চাষের আওতায় আসবে বলে আশা করা যায়।

 

সর্বশেষ..