বিশ্ব বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্কারোপ বিশ্বকে মন্দায় ফেলতে পারে

চীনের হুশিয়ারি

শেয়ার বিজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বাড়তি শুল্কারোপ প্রবণতায় বিশ্ব মন্দাবস্থার মধ্যে পড়তে পারে বলে হুশিয়ার করেছে চীন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম বার্ষিক অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর ওয়াং ই এ হুশিয়ারি দেন। খবর: পার্সটুডে ও রয়টার্স।
তিনি জোরালো ভাষায় বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ শান্তিপূর্ণ, যৌক্তিক ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে নিরসন করার ক্ষেত্রে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ ওয়াং ই বলেন, বাণিজ্য নিয়ে সৃষ্ট বাড়তি শুল্কারোপ এবং উসকানি আন্তর্জাতিক শিল্প-কারখানা ও সরবরাহচক্রকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, যার কারণে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে বিশ্বে মন্দা অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার ভাষণে আরও বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলছি চীন হচ্ছে পাঁচ হাজার বছরের সভ্যতার একটি দেশ, ৯৬ লাখ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ভূখণ্ডে রয়েছে ১৪০ কোটি কঠোর পরিশ্রমী ও সাহসী জনতার বাস। এ চীন কোনো শক্তির হুমকি ও চাপের মুখে ভয় পাবে না।’ তিনি বলেন, এ পর্যন্ত চীন যে ব্যবস্থা নিয়েছে, তা বিপরীত পক্ষের পদক্ষেপের প্রয়োজনীয় জবাব ও বৈধ অধিকার। মার্কিন একত্ববাদী নীতির বিষয়ে ওয়াং ই সুস্পষ্ট ভাষায় বলেন, এ ধরনের আচরণের মুখে আমরা অলস বসে থাকব না। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি লঙ্ঘনের কারণে বিশ্বে শুধু গোলযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে যখন চীনের বাণিজ্যযুদ্ধ তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে, তখন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ ভাষণে এসব কথা বলেন।
চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে গত বছর থেকে বেইজিংয়ের রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্কারোপ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ আর ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামের কথিত সংরক্ষণবাদ নীতির ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প প্রশাসনের এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিংও মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্কারোপ শুরু করে। বাণিজ্য নিয়ে উত্তেজনা কমাতে এ বছর ওয়াশিংটন ও বেইজিং কয়েক দফা বৈঠকও করেছে। গত মাসের শুরুর দিকে দুদেশের প্রতিনিধিদের সর্বশেষ দফা বৈঠক হয়। এরপরই টুইটারে ট্রাম্প নতুন করে আরও ৩০০ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্যে শুল্কারোপের ঘোষণা দেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণার ফলে কার্যত সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা সব চীনা পণ্যেই শুল্ক বসার কথা ছিল। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এ বাড়তি শুল্ক আপাতত স্থগিত করেছে।নাডার প্রধানমন্ত্রীও পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখছেন না। গ্রেটা বলেন বলেন, ‘তিনিও (ট্রুডো) তেমন কিছু করছেন না। বিশ্বের সব রাজনীতিবিদের জন্যই আমার বার্তা এক।

 

সর্বশেষ..