প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

যুক্তরাষ্ট্রের কপিন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জাবির সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

প্রতিনিধি, জাবি: যুক্তরাষ্ট্রের কপিন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল সায়েন্স বিভাগের সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজির সাথে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

রোববার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ভবনে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এসময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার এবং কপিন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়, উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দুটি বৈজ্ঞানিক ও একাডেমিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। পাশাপাশি গবেষণার ক্ষেত্রেও একে অপরকে সহযোগিতা করবে।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কক্ষে ‘আন্তর্জাতিক বায়োটেকনোলজি সেমিনার-২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন সশরীরে যোগ দেন।

সেমিনারে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাবি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘দেশে বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রসার ঘটছে। আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের পরিশ্রমের মাধ্যমে বিভাগকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ফলস্বরুপ করোনার এই কঠিন সময়েও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে আমাদের মাঝে একজন অতিথি এসেছেন। তিনি তাঁর কাজ দিয়ে আমাদেরকে অনেক উজ্জীবিত করলেন। আমাদের সাথে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে। আশা করি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই সম্পর্কের কারণে অনেক ভালো ভালো গবেষণা করা সম্ভব হবে।’

অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ভালো গবেষণা হয়। এখানে যেহেতু বায়োটেকনোলজি বিভাগ আছে তাই বিভাগের সাথে ন্যানোটেকনোলজির সমন্বয় করা সম্ভব হবে। আমি কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছি। আমার উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সবগুলো ইউনিভার্সিটিতে ন্যানোটেকনোলজি ছড়িয়ে দেওয়া। এই চিন্তাধারা থেকেই বায়োটেকনোলজি বিভাগের সাথে আমাদের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা।’

সেমিনারের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. শরীফ হোসেন বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীতে বায়োটেকনোলজি এবং ন্যানোটেকনোলজি মানুষের জীবনের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখছে। কৃষি, শিল্প ও বিজ্ঞানের অনেক শাখায় বায়োটেকনোলজি এবং ন্যানোটেকনোলজির ব্যবহার রয়েছে। ন্যানোটেকনোলজির ব্যবহার আজ বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। কসমেটিক থেকে শুরু করে সমুদ্র অর্থনীতি পর্যন্ত সব জায়গায় ন্যানোটেকনোলজির ছোঁয়া লেগেছে। বায়োটেকনোলজি বিভাগের সাথে যে সমঝোতা স্থাপিত হচ্ছে এর মাধ্যমে আমরা অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি।’

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার হাওলাদার, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. উম্মে সালমা যোহরা, অধ্যাপক মোহাম্মদ ছাহেদুর রহমান প্রমুখ।