প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সুপারশপগুলোয় খাদ্য সরবরাহে সংকট

শেয়ার বিজ ডেস্ক: কভিড-১৯ সংক্রমণে সবচেয়ে বিধ্বস্ত দেশগুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্র। নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ চাহিদা দেখা দিয়েছে দেশটিতে। একই সঙ্গে বাড়ছে পরিবহন খরচ। উপরন্তু শ্রমিক সংকটের কারণে সুপারশপগুলোর পণ্য সরবরাহে টান পড়েছে। খবর: সিএনএন।

অনেক বড় সুপারমার্কেটে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও তাজা খাবার রাখার তাকগুলো খালি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়ালমার্টের মতো বড় সুপারশপের পাস্তা ও মাংসের তাক খালি পড়ে থাকার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

ওমিক্রনের কারণে আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহ সুপারমার্কেটে খাদ্য সংকট আরও বেড়ে যাবে বলে ধারণা করছেন দেশটির গ্রোসারি কোম্পানি অ্যালবার্টসন্স।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট কোস্ট অঞ্চল থেকে খুচরা বাজারে লেটুস ও বেরি সরবরাহের জন্য মহামারির আগের তুলনায় তিনগুণ বেশি খরচ করতে হচ্ছে। এখানকার অনেক ব্যবসায়ী জানান, পরিবহন খরচ না কমা পর্যন্ত তারা উৎপাদিত পেঁয়াজ খুচরা বাজারে পাঠাবেন না। এখানে পেঁয়াজ, তরমুজ ও অ্যাসপারাগাস চাষ করা হয়।

আইডাহো রাজ্যে ট্রাক চালকের সংকট ও সম্প্রতি ঝড়ে কয়েকটি মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে পরিবহন চলাচল বিঘœ হচ্ছে। এ কারণে ফল ও সবজি পরিবহন খরচ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এ রাজ্যে মহামারির শুরু থেকে পরিবহন খরচ বাড়তি ছিল।

কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ইস্ট কোস্ট থেকে ওয়েস্ট কোস্টে জাহাজে পণ্য পাঠানো হয়। আগে এজন্য সাত হাজার ডলার খরচ হতো। এখন সেই খরচ বেড়ে ১৮ থেকে ২২ হাজার ডলার হয়েছে।

এদিকে সুপারশপ মায়ার স্টোটে মুরগি পাওয়া যাচ্ছে না। ফ্লোরিডার পাম বিচের পাবলিক্সে বাথ টিস্যু ও ঘর পরিষ্কার করার পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ওয়াশিংটনে কয়েকটি স্টোর ক্রেতাদের টয়লেট পেপার কেনার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

কনজিউমার ব্রান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক হতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে।