প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

যে যুবকের ছোঁয়ায় দৃষ্টিনন্দন হল কেজিএফ- চ্যাপ্টার টু

শোবিজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে কত কিছুই না সম্ভব! একদম ফিল্মের কাহিনির মতোই অবাক করা এই বাস্তব কাহিনি। ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ২’-এর সাফল্য তো কারুর অজানা নয়। বক্স অফিসে তুফানের মতোই আছড়ে পড়েছে প্রশান্ত নীল পরিচালিত ছবি ‘কেজিএফ- চ্যাপ্টার টু ’। ‘কেজিএফ’ মানেই দর্শকমহলে অন্যরকম উন্মাদনা। সিনেমাটির প্রথম কিস্তি হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার পর থেকেই ‘চ্যাপ্টার টু’ দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন দর্শকমহল। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ১৪ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কেজিএফ- চ্যাপ্টার টু ’।

যশ অভিনীত ওই ছবিটি এই মুহূর্তে গোটা দেশের ‘ফেভারিট’ হয়ে উঠেছে। পরিচালক প্রশান্ত নীল এই ছবি নিয়ে নানা ধরণের এক্সপেরিমেন্ট করেছেন। এবারে জানা গেল, ১০০ কোটির বাজেটে তৈরি ওই সিনেমাটির এডিটিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ১৯ বছরের যুবক উজ্জ্বল কুলকার্নিকে।

কেজিএফের প্রথম কিস্তি মুক্তির পর সেটির ফ্যান মেড ট্রেলার তৈরি করে ভিডিয়ো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে পোস্ট করে উজ্জ্বল। আর তার বানানো সেই ট্রেলার যা চোখে পড়ে যায় ছবির পরিচালকের। আর এতেই কপাল খুলে যায় কুলকার্নির। উজ্জলের বানানো ওই ট্রেলারটি দেখে ১৯ বছরের তরুণে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন প্রশান্ত, যে কেজিএফ চ্যাপ্টার ২ সম্পাদনা করবার গুরু দায়িত্ব প্রশান্ত তুলে দেন উজ্জ্বলের কাঁধে। না, কোনও সহকারী হিসাবে নয় এই ছবির ফাইনাল কাট বেরিয়ে এসেছে উজ্জ্বলের হাত দিয়েই। কোন দৃশ্যে কাঁচি চলবে, কোন দৃশ্যের পর কোন দৃশ্য জোড়া হবে- সবটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। আর বলতেই হচ্ছে ভুল ছিল না প্রশান্তের সিদ্ধান্ত। নেটিজেনরা এই সিদ্ধান্তকে প্রশান্তের মাস্টারট্রোক বলে উল্লেখ করছেন।

অভিজ্ঞতা নয়, ট্যালেন্টটাই আসল তা ফের একবার বুঝিয়ে দিল উজ্জ্বল।তিনি প্রমাণ করেছেন যে, বয়স কম হলে কি হবে প্রতিভার অন্ত নেই তার মধ্যে। চমকে উঠছেন সারা ভারতের অন্যান্য হামরা চোমরা এডিটররাও। অভিনয় তো বটেই কিন্তু এডিটিংটা এইরকমের না হলে হয়তো সিনেমা টা জমত না। তার অনবদ্য এডিটিং এ মুগ্ধ দর্শক থেকে সিনেমা পরিচালক সকলেই। ১৪ এপ্রিল সিনেমাটি মুক্তির দিনই প্রায় ১৪০ কোটির ব্যবসা করেছিল। দু’দিনে ৩০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছে গেল যশ অভিনীত কেজিএফ : চ্যাপ্টার ২।