কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলসের রাইট ইস্যু বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের রাইট শেয়ার ইস্যুর আবেদন বাতিল করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ব্যাংক খাতের কোম্পানিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় রাইটস শেয়ার ইস্যুর আবেদন বাতিল করেছে বিএসইসি। প্রকৌশল খাতের কোম্পানি রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ তিনটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার ইস্যু করার জন্য আবেদন করেছিল। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাইট শেয়ারের ইস্যুমূল্য নির্ধারিত ছিল ১৫ টাকা।

কোম্পানিটি ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসবাবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা পাঁচ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৬৯ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৭৭ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ ডিসেম্বর।

এর আগে ২০১৯ সালে কোম্পানিটি শুধু সাধারণ বিনিয়োগকাীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৫ টাকা ৫৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ৪৯ টাকা ৪৮ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছিল এক টাকা ৩১ পয়সা।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২২ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২২ টাকা ৯০ পয়সা। দিনজুড়ে ৩২ হাজার ৬৩১টি শেয়ার মোট ২৯ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর সাত লাখ ৫০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর ২২ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ২২ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩৪ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০১ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৩২৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ১১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪৭ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ১৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৩৩ দশমিক ০৯ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত চার দশমিক ১০।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..