চট্টগ্রাম ব্যুরো : রমজান মাসকে সামনে রেখে নদী ও সমুদ্রের জাহাজকে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে এ-সংক্রান্ত এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দুদক জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম।
অভিযানকালে দুদক টিম নৌপরিবহন অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়ে নথিপত্র যাচাই করে। গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর এক নির্দেশনায় অনাপত্তি সনদ ছাড়া কোনো এজেন্টকে বন্দর ব্যবহার করতে না দেওয়ার কথা থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তা মানছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে বন্দরের ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার ও হারবার মাস্টারের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে রেকর্ড সংখ্যক ১৭৬টি মাদার ভেসেল অপেক্ষমাণ রয়েছে। লাইটার জাহাজগুলো সাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে আটকে থাকায় বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে যে জাহাজগুলো ৭-১০ দিনে খালাস হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো এখন ২৫-৩০ দিন ধরে সাগরে আটকা পড়ে আছে।
দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধু উপায়ে বাজার অস্থিতিশীল করার অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংগৃহীত নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দ্রুতই কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
প্রিন্ট করুন








Discussion about this post