প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

রাইট ইস্যু: লংকাবাংলার ইপিএস বেড়েছে ২৫৭.৪১%

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের রাইট ইস্যু সামনে রেখে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৯৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫৭ দশমিক ৪১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫ সালের ১০ মাসে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস ছিল ৫৪ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে চলতি বছরের ১০ মাসের (জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত) নিরীক্ষিত আর্থিক তথ্য প্রকাশ করেছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৯৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় মুনাফার পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ৫৪ পয়সা। রাইট শেয়ার ছেড়ে মূলধন বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কি কাজ করবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এর আগে চলতি বছর ২৫ অক্টোবর কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২:১ অনুপাতে অর্থাৎ দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। রাইট ইস্যুর বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতির জন্য আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ইজিএম কোথায় হবেÑএ সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়নি। শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি পেলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে রাইট শেয়ার ইস্যুর জন্য আবেদন করা হবে। কমিশনের অনুমোদন পেলেই রাইট শেয়ার ইস্যু করবে প্রতিষ্ঠানটি। ইজিএম সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট গত ১৭ নভেম্বর নির্ধারিত ছিল। এছাড়া ৫০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ ও বিদ্যমান অর্থের উৎসে বৈচিত্র্য আনতে বন্ড ইস্যু করবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের মধ্যে পরিচালকদের কাছে ৩৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ৩৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে দুই দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ২৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।