সারা বাংলা

রাজধানীমুখী লঞ্চগুলোয় বাড়ছে যাত্রীর ভিড়

শেয়ার বিজ ডেস্ক: ঈদুল আজহার পর গতকাল বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনে বরিশাল নৌবন্দরে রাজধানীমুখী যাত্রীর ভিড় বেড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ ভিড় আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
বিআইডব্লিউটিএ’র মতে, শুক্রবার (আজ) থেকে রোববার পর্যন্ত ঢাকামুখী মানুষের চাপ থাকবে বরিশাল নৌবন্দরে। এর মধ্যে শনিবার ভিড় সবচেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত দুদিনের চেয়ে গতকাল বরিশাল নৌবন্দরে যাত্রীর চাপ কিছুটা বেড়েছে। এ কারণে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। দিবা সার্ভিসের তিনটি নৌযান ছাড়াও রাতে বরিশাল নদীবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে সরাসরি রুটের ১০টি লঞ্চ ঘাট ত্যাগ করেছে। এছাড়া ভায়া রুটের বেশ কয়েকটি লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দর হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি একটি যাত্রীবাহী নৌযানও বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক (টিআই) মো. কবির হোসেন বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন থেকেই যাত্রীদের রাজধানীতে ফেরত যাওয়া শুরু হয়। গত ক’দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল। এ কারণে চাপ তুলনামূলক কম ছিল। এছাড়া বৃহস্পতিবার ১৫ আগস্ট শোক দিবসের ছুটি, এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসেবে শনিবার যাত্রীর চাপ সবচেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কেবিনের হিসাবে ১৬ থেকে ১৮ আগস্ট তিন দিনই চাপ থাকবে। এ কদিন লঞ্চের সংখ্যাও বেশি থাকবে বরিশাল নৌবন্দরে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গতকাল রাত্রিকালীন সার্ভিসের নির্ধারিত লঞ্চগুলোয় যাত্রী তোলা হচ্ছে। সন্ধ্যা নাগাদ প্রতিটি লঞ্চের ডেকেই যাত্রী কানায় কানায় ভরে যায়। এর আগে বেলা পৌনে ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে গ্রিনলাইন কোম্পানির দুটি ও নিজাম শিপিং লাইন্সের মোট তিনটি ওয়াটারবাস বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
লঞ্চযাত্রীরা জানান, যাত্রীর চাপ না থাকলেও নৌবন্দর ও টার্মিনাল এলাকায় হকার-ভিক্ষুকই এখন বড় সমস্যা। এদের কারণে স্বাভাবিক যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
বরিশাল নৌবন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আজমল
হুদা মিঠু সরকার বলেন, আমরা কোনো লঞ্চেই ওভারলোড হয়ে ছাড়তে দিচ্ছি না। লঞ্চ ছাড়ার আগে চেক করে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে লোডলাইন দেখে নিচ্ছি।
এদিকে, যাত্রীর চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌবন্দরের ভেতর ও বাইরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..