প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিনিধি, রাবি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের সামনে এ মানববন্ধন করেন তারা।

এসময় তারা ‘সেকেন্ড টাইম ভিক্ষা নয়, এটা আমাদের অধিকার’, ‘দাবি মোদের একটা সেকেন্ড টাইম বহাল চাই’, সিলেকশন সিলেকশন বাতিল চাই বাতিল চাই এমনসব স্লোগানে মিছিল করতে থাকেন।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, করোনাকালে অপূরণীয় ক্ষতি সেই ক্ষতিপূরণের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেন তাদেরকে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ প্রদান করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করার দাবিও জানান তারা।

মানববন্ধনে মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, করোনাকালীন ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ৫ বছর পর ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সেকেন্ড টাইম চালু করেন রাবি প্রশাসন। কিন্ত প্রকৃতপক্ষে ২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক ব্যাচ থেকে ২০২১ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাহলে আমাদের অধিকার কেন হরণ করবে রাবি প্রশাসন?
সেকেন্ড টাইম ছিলো আবারও বহাল রেখে প্রশাসন আমাদের পাশে থাকবে বলে আমি আশাবাদী।

বরেন্দ্র কলেজের আরেক শিক্ষার্থী খালেদ বলেন, করোনার ফলে আমরাও তো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তাহলে আমাদের সাথে কেন এমন অবিচার করছেন রাবি প্রশাসন? সেকেন্ড টাইম ভিক্ষা নয়, এটা আমাদের ন্যায্য অধিকার। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড তাহলে আমাদেরকে কেন সীমাবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। আমরা এসব অন্যায় সহ্য করবো না। রাবি প্রশাসন যদি আমাদের দাবিতে একাত্মতা পোষণ না করে তাহলে আমরা আরো কঠোর আন্দোলনে যাবো।

রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী বাদশা বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময় রাবিতে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছিল ফলে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে অনেকেই চান্স পেয়েছে। এতে আমাদের ভর্তি আসন সংখ্যা কমে যায়। এ কেমন অবিচার? আমরা চাই এবারও সেকেন্ড টাইম বহাল রাখা হোক। রাবিতে সিলেকশন সিস্টেম বাতিল করতে হবে কারণ সিলেকশন পদ্ধতিতে সত্যিকারের মেধাবীরা প্রথমেই বাদ পড়ে যায়।

এসময় মানববন্ধনে রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন কলেজের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।