প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

রাজস্ব ভবন প্রকল্পের সংশোধন: ১৪ প্রকল্প একনেকে উঠছে কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে গতি আনতে নিজস্ব ভবন নির্মাণ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এরই মধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ভবন নির্মাণকাজ অনেকখানি এগিয়েছে। ৩০ তলা ভিত্তির ভবন নির্মাণে প্রকল্পটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পটিসহ মোট ১৪ প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা রয়েছে কাল।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১৪১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। সংশোধনের প্রস্তাবে প্রকল্প ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪৯৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আর প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত। ৩০ তলা ভিত্তির ওপর ভবনটি নির্মিত হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে তা ১২ তলা পর্যন্ত করা হবে। এটি হবে এনবিআরের নিজস্ব ও স্থায়ী দাফতরিক ভবন।

প্রকল্পটির প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সাইট উন্নয়ন, ৩০ তলার ভিত্তি ও দুটি বেজমেন্টসহ ১২ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করা, ভবনসংশ্লিষ্ট অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ, গ্যাস সংযোগ ও পানি সরবরাহসহ অন্যান্য সুবিধা স্থাপন, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, কম্পিউটার ও আইসিটি সামগ্রী সংগ্রহ, যানবাহন সংগ্রহ এবং পরামর্শ সেবা সংগ্রহ। প্রকল্পটির ওপর গত অক্টোবরে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগ প্রকল্পটি বিবেচনার জন্য সুপারিশ করেছে।

এ প্রকল্পটি ছাড়া অন্য যেসব প্রকল্প অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়)। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এটির আওতায় জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০ হাজার শ্রেণিকক্ষ নির্মাণসহ বিভিন্ন আসবাব ক্রয় এবং আট হাজার স্কুলে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

একই সঙ্গে নতুন জাতীয়করণ করা আরেকটি প্রকল্পের অধীনে পাঁচ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫ হাজার অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণসহ বেশকিছু উন্নয়নকাজ করা হবে। এর বাইরে আরও রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর শক্তিশালীকরণ, ২৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সামরিক জাদুঘর নির্মাণ, রাজশাহী হাইটেক পার্ক স্থাপন ইত্যাদি।