বিশ্ব সংবাদ

রাশিয়ার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে ডব্লিউএইচও

কভিড-১৯-এর প্রথম ভ্যাকসিন

শেয়ার বিজ ডেস্ক : রাশিয়ার তৈরি বিশ্বের প্রথম কডিড-১৯ ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ভি’ নিয়ে দেশটির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে সংস্থাটির স্বীকৃতি পেতে হলে ভ্যাকসিনটির সুরক্ষাবিষয়ক যাবতীয় তথ্য খুব ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। খবর: রয়টার্স ও এজেন্সি।

গত মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে ‘স্পুটনিক-ভি’ অনুমোদনের কথা জানান। একই দিনে রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ জানান, ১২ আগস্ট থেকে ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু হবে।

১১ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও’র মুখপাত্র তারিক জাসারেভিক বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছি এবং ডব্লিউএইচও ভ্যাকসিনের বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনার বিষয়ে আলোচনা করছে।’ সাধারণত কোনো ভ্যাকসিন অনুমোদনের ক্ষেত্রে ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায়ে সাধারণত লাখো মানুষের ওপর এটি প্রয়োগ করা হয়। তার ফলাফল সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরই ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। রাশিয়ার নিজেদের দাবি অনুযায়ীই তারা কেবল কয়েক হাজার মানুষের ওপর এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে।

ডব্লিউএইচও কোনো ভ্যাকসিন অনুমোদন দেওয়ার আগে এর প্রাকযোগ্যতা নির্ধারণ করে। তারিক জাসারেভিক জানান, প্রাকযোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সুরক্ষা ও কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্যের কঠোর পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন জরুরি। মাত্র দুই মাসের কম সময়ের মধ্যে মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..