রূপালী ইন্স্যুরেন্স ও দি পেনিনসুলা চিটাগংয়ের ঋণমান প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসেল) এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি দি পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। আর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্টেকহোল্ডারদের উদ্দেশে প্রাপ্ত রেটিং প্রকাশ করেছে।

রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড: কোম্পানিটি দাবি পরিশোধের সক্ষমতায় রেটিং পেয়েছে ‘এএ প্লাস’। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে কোম্পানিটিকে।

কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৭৬ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৮৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট সাত কোটি ৬৬ লাখ ৬৫ হাজার ৪১২টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪৬ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪০ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

দি পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড: কোম্পানিটি রেটিং পেয়েছে ‘এএ৩’। ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর ব্যাংক ঋণের অবস্থান এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে কোম্পানিটিকে।

এদিকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কভিড-১৯ মহামারির কারণে দি পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেডের মূল ব্যবসা ব্যাহত হয় কিন্তু অপরিচালন আয় দুই কোটি ৫৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬৪৩ টাকা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। একইসঙ্গে বর্তমানে করহার আড়াই শতাংশ কমে সাড়ে ২২ শতাংশে এসেছে এর ফলে কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় চার পয়সা বা ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৭ পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫৯ পয়সা। অন্যদিকে এ সময়ে আগের বছরের তুলনায় গ্রাহকের কাছ থেকে নগদ প্রাপ্তি অর্থ ৮০ লাখ ১০ হাজার ২৫ টাকা কমেছে ফলে নগদ অর্থপ্রবাহ কমেছে। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে পাঁচ পয়সা (লোকসান)।

সম্প্রতি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ২৮ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৯৩ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ১৩ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৮ কোটি ৬৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮০০ শেয়ার রয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯৪১  জন  

সর্বশেষ..