সারা বাংলা

রেলের জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নারায়ণগঞ্জে রেলমন্ত্রী

প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ: রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘আপনি যত বড় রাজনৈতিক নেতা, যত বড় মাস্তানই হোন না কেন রেলের জমিতে মার্কেট করে গায়ের জোরে চাঁদা তুলে খাবেন, সেটা হতে দেওয়া হবে না। এর সঙ্গে যারাই জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গতকাল বুধবার বিকালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজ রেললাইনের সমান্তরাল একটি ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়ে রেলের জমি দখলদারদের এ হুশিয়ারি দেন তিনি।

রেলপথমন্ত্রী বলেন, ‘রেলের উন্নয়নে রেলের জমি প্রয়োজন। এর জন্য রেলের আশপাশে যেসব জমি অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে, সেসব জমি উদ্ধার করা হচ্ছে। তবে রেলের উন্নয়নে যতটুকু জায়গা প্রয়োজন ঠিক ততটুকু জায়গা নেওয়া হবে। কারণ রেলের আশপাশের সম্পদের মালিক বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলকে আমরা একটি সঠিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসতে চাই। রেলওয়ের যদি কোনো অতিরিক্ত জায়গা থেকে থাকে ইজারাদাররা তা ইজারা নিতে পারবেন। তবে তার জন্য ইজারাদারদের সঠিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হবে। এরপর আমরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখব।’

মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথ চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। এছাড়া আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ হয়ে চিটাগং পর্যন্ত হাই স্পিড ট্রেন ?চলাচল করবে, একই সঙ্গে এটি কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হবে। রেলের অনেক প্রকল্প এই নারায়ণগঞ্জে রয়েছে।’

এ সময় তিনি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প দ্রুত শেষ করার জন্য প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশ দিলে প্রকল্প পরিচালক জানান, ২০২০ সালের জুন মাস নাগাদ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও কিছু সময় বেশি লাগতে পারে।

নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন পরিদর্শনের সময় রেলমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা শেখ রাসেল নগর পার্কের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ দুজনকে আটক করে। এ সময় রেলমন্ত্রী বলেন, ‘রেলের জমি কেউ নিতে চাইলে তা সঠিক প্রক্রিয়ায় নিতে হবে।’ প্রকল্প পরিদর্শনে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..