প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

রোজা: ডায়াবেটিস রোগীদের প্রস্তুতি

যাদের ডায়াবেটিস খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা, ওষুধ সেবন বা ইনসুলিন গ্রহণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আছে, তারা লো রিস্ক এবং মডারেট রিস্ক গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এসব রোগী রোজার শুরুতে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে কোনো প্রকার জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখতে পারেন।

ইসলামের বিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সক্ষম মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রমজানে রোজা পালন করা ফরজ বা অবশ্য করণীয়। যদিও অসুস্থ ও অক্ষম ব্যক্তিদের বেলায় তা প্রযোজ্য নয়। ডায়াবেটিস রোগীরা অনেক ক্ষেত্রেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগে থাকেন রোজা রাখতে পারবেন কিনা? ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা, সময়কাল, খাবারের নিয়ম, হাঁটা বা ব্যায়াম এসব আনুষঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ডায়াবেটিস রোগীরা কিছুটা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় থাকেন। রোজার সময় ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা নির্ধারণ, কিছুটা প্রাত্যহিক জীবনধারার পরিবর্তন, কিছু বিশেষ সতর্কতা, নিয়ম আর শৃঙ্খলা মেনে চললে বেশিরভাগ ডায়াবেটিস রোগীই রোজা রাখতে পারেন।

যাদের ডায়াবেটিস খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা, ওষুধ সেবন বা ইনসুলিন গ্রহণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আছে, তারা লো রিস্ক এবং মডারেট রিস্ক গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এসব রোগী রোজার শুরুতে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে কোনো প্রকার জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখতে পারেন। অতি বয়স্ক বারবার রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়ার প্রবণতা, কিডনির জটিলতায় আক্রান্ত, স্বল্পমেয়াদি অন্য অসুস্থতায় আক্রান্ত, হার্ট অ্যাটাক ও স্টোকের শিকার ডায়াবেটিস রোগীদের হাই ও ভেরিহাই রিস্ক গ্রুপে ফেলা হয়েছে। এদের রোজা রাখতে হলে ডাক্তারের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থেকেই রাখতে হবে। সেজন্য ডায়াবেটিস রোগীদের রমজান শুরুর মাসখানেক আগেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে পরামর্শ নিতে হবে।

রোজা পালনে ঝুঁকিপূর্ণ কারা:

অতি বৃদ্ধ বা ভগ্ন স্বাস্থ্যের রোগী; গত তিন মাসের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা সুগার অধিক বেড়ে গিয়ে কিটো অ্যাসিডোসিস বা হাইপার অসমোলার স্টেটের ইতিহাস থাকলে; ঘন ঘন হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে; হাইপোগ্লাইসেমিয়া বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি; [বাকিং অংশ আগামীকাল]

ডা. এ হাসনাত শাহীন

[কনসালট্যান্ট, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন রোগ বিভাগ

ইমপালস হাসপাতাল, তেজগাঁও, ঢাকা]