সারা বাংলা

লক্ষ্মীপুরে নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে জেলেদের হয়রানি করার অভিযোগ

প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে জেলেদের নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে রায়পুরের চর ভৈরবী এলাকার নীল কমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন কয়েকজন ভুক্তভোগী জেলে ও ঘাট মালিক। এ সময় ওই নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে প্রতি মাসে চাঁদা হিসেবে ঘাটপ্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও জানান তারা।

রায়পুরের চরজালিয়া এলাকার মেসার্স সর্দ্দার অ্যান্ড মো. আলী মাছ ঘাটের পরিচালক আবুল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে চর ভৈরবী এলাকার নীল কমল নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুল জলিলকে প্রতি মাসে চাঁদা হিসেবে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও ঘাটে ও নদীতে জেলেদের হয়রানি করা হচ্ছে। নদীতে জেলেদের আটক করে জেলে প্রতি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করে নৌ-পুলিশ।

এতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওই জেলেকে ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলায় হয়রানির ভয় দেখান তারা। সম্প্রতি কয়েকজন জেলেকে ঘাট থেকে ধরে নিয়ে ডাকাতি মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ারও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী কয়েকজন জেলে। ওই নৌ-পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে উপজেলার রুহুল মেম্বারের মাছঘাট, আলতাফ মাস্টারের মাছঘাটসহ বেশ কয়েকটি মাছঘাটের একাধিক জেলে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।

এসব মাছঘাটের রহমান, আকবর, বাবুলসহ কয়েকজন জেলে বলেন, ‘নদীতে মাছ ধরতে গেলে নৌ-পুলিশ নানাভাবে তাদের হয়রানি করছে। একদিকে বড় সাবের (ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের) জন্য  মাছ নেয় অন্যদিকে নগদ টাকা চাইলে না দিলে মামলার ডর (ভয়) দেখায়।’ ঘাটে এসে জাল বুনার সময় ধরে নিয়ে ডাকাতির মামলার ভয় দেখানোর কথাও জানান তারা।

এদিকে এসব অভিযোগের ব্যাপারে নীল কমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুল জলিল বলেন, ‘জেলেরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..