প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে রফতানি আয়

নিজস্ব প্রতিবেদন: চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৪২৮ কোটি ডলার। তবে এ সময় রফতানি আয় হয়েছে এক হাজার ৩৬৯ কোটি ডলারের পণ্য। অর্থাৎ রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে তৈরি পোশাক খাত থেকে মোট রফতানি আয় হয়েছে এক হাজার ১১৩ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম। আলোচিত সময়ে এ খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ১৭৩ কোটি ডলার। তবে আগের বছরের চেয়ে এ খাতে রফতানি আয় সামান্য বেশি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক হাজার ৪৬ কোটি ডলার।

রফতানি আয়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খাত বর্তমানে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। এ খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এ খাতে ৫৩ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরের একই সময়ের যার পরিমাণ ছিল ৪৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলার।

রফতানি আয়ের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য। এ খাতে রফতানি আয় হয়েছে ৩৮ কোটি ৭২ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ দশমিক ০৩ শতাংশ বেশি। পাট ও পাটজাত পণ্যে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ কোটি ২২ লাখ ডলার।

এ ছাড়া চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে কৃষিজাত পণ্যে ২২ কোটি, প্লাস্টিক পণ্যে ৫ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে যেসব খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা পিছিয়ে রয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রকৌশল খাতের পণ্য, মুদ্রণসামগ্রী, কাঠ ও কাঠজাতসামগ্রী, পেট্রোলিয়াম পণ্য, হিমায়িত মাছ। তবে প্লাস্টিক খাতের সামগ্রী রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। প্লাস্টিক খাতে চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে রফতানি আয় হয়েছে পাঁচ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন কোটি ৬১ লাখ ডলার।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার ৭০০ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে (২০১৫-১৬) দেশে মোট রফতানি আয় হয় তিন হাজার ৪২৫ কোটি ডলার।