প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কাট্টলী টেক্সটাইল

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি কাট্টলী টেক্সটাইলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে তাদের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহারের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটি প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যতীত শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫২ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি  নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৭১ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৯ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ ডিসেম্বর।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। আর এই প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৬ পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১৭ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭৭ পয়সা (লোকসান)।

এদিকে কোম্পানিটি তাদের আইপিও ফান্ড ব্যবহারের সময় বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন করবে এবং আগামী ১৮তম এজিএমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেবে। 

কোম্পানিটি ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৬ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ১১ কোটি ৬৩ লাখ পাঁচ হাজার ২০০ শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩০ দশমিক ৩২ শতাংশ শেয়ার, বিদেশি শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২৪ দশমিক ৪১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার।