কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

লভ্যাংশ দেবে বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যমতে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি এক শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে আট পয়সা (লোকসান) এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬১ পয়সা। আর এ হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৯ পয়সা (লোকসান)। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় অনলাইনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ আগস্ট।

তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৬ পয়সা (লোকসান) এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬৯ পয়সা। আর এ হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৪১ পয়সা (লোকসান)। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় অনলাইনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ আগস্ট।

কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৪২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ আট কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট চার কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার ১০৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৩১ দশমিক শূন্য এক শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দুই দশমিক ৮৮ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর পাঁচ দশমিক ২৬ শতাংশ বা এক টাকা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২২ টাকায় হাতবদল হয়। যার সর্বশেষ দর ছিল ২২ টাকা ২০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৪টি শেয়ার মোট এক হাজার ২৩৬ বার হাতবদল হয় যার বাজারদর দুই কোটি ৯৯ লাখ ৩১ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২ টাকা ৯০ পয়সায় হাত বদল হয়। আর গত এক বছরে শেয়ারদর ১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২২ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..