প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লভ্যাংশ পাঠিয়েছে আরগন ডেনিমস

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে আরগন ডেনিমস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের জন্য ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিআই) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে এবং বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওয়ার্স (বিও) হিসাবে বোনাস লভ্যাংশ পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ  ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে চার টাকা ৩৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৭ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময় ইপিএস হয়েছে চার টাকা ছয় পয়সা আর এনএভি হয়েছে ২৭ টাকা।

২০১৪ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে এক শতাংশ কম। ২০১৪ সালের সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি ইপিএস হয়েছিল তিন টাকা ৪৭ পয়সা এবং এনএভি ২৭ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে তিন টাকা ১৫ পয়সা ও ৩৩ টাকা ১৯ পয়সা। ওই বছর কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৮ কোটি ৭৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছরে ছিল ২২ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত সাত দশমিক ২৭ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে আট দশমিক ৮৬ শতাংশ। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৮১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৮ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে দুই পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৯৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৪ টাকা ৭৭ পয়সা। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে এক দশমিক ৮৬ শতাংশ বা ৬০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৩১ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩১ টাকা ৯০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর ৩১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। ওইদিন কোম্পানির ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৫টি শেয়ার মোট এক হাজার ৩৮৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর সাত কোটি ৬৫ লাখ ৯ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২১ টাকা থেকে ৩৫ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়।

কোম্পানিটির মোট ১১ কোটি ৪২ লাখ ৬৪ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১ দশমিক ২৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩০ দশমিক শূন্য এক শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে দুই দশমিক ৪৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ শেয়ার।