প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লেনদেনের শীর্ষে ডেসকো

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেড ৮৪ কোটি চার লাখ ৯৯ হাজার টাকা শেয়ার লেনদেন করে গতকাল লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গতকাল কোম্পানিটির এক কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮৯টি শেয়ার দুই হাজার ৩৮৭ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৮৪ কোটি চার লাখ ৯৯ হাজার টাকা। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ বা চার টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৫১ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৫১ টাকা ৮০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৪৮ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৫১ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৪৫ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৫৯ টাকায় ওঠানামা করে।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ১২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা চার পয়সা।

ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী শনিবার পিএসসি কনভেনশন হল, মিরপুর ১৪, ঢাকায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা ছিল ১৭ নভেম্বর।

২০১৫ সালের সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। ইপিএস হয়েছিল চার টাকা ৩২ পয়সা এবং এনএভি ৩৪ টাকা ১৬ পয়সা ছিল। আগের বছরের একই সময় যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৯৪ পয়সা ও ৩২ টাকা ৮২ পয়সা। ওই বছর কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ১৬৩ কোটি ৪৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আগের বছর ছিল ৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩৯৭ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৮৮৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ১০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৮৩ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় ছিল ৩৭ টাকা চার পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২২ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সবশেষ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারমূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ২২ দশমিক ৭২ শতাংশ।

কোম্পানিটির মোট ৩৯ কোটি ৭৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৪টি শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে সরকারের কাছে রয়েছে ৭৫ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ছয় দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার।