প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লেনদেনের শীর্ষে বিবিএস

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেন তালিকার শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস (বিবিএস) লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট লেনদেন হয়েছে ১১৩ কোটি তিন লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট দুই কোটি ৬২ লাখ ৮৭ হাজার ১০১টি শেয়ার লেনদেন হয়। এর বাজারদর ১১৩ কোটি তিন লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের তিন দশমিক ১৪ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের সপ্তাহের চেয়ে তিন দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়েছে।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির ২৯ কোটি ২০ লাখ ৯৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এদিন ৬৭ লাখ ৭১ হাজার ৬৩০টি শেয়ার তিন হাজার ৪৩৮ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে তিন দশমিক ৭৮ শতাংশ বা এক টাকা ৬০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৪৩ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৪৩ টাকা ২০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৪২ টাকা ৪০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪৩ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৪৮ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ৩৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৩২ পয়সা ও ১২ টাকা ৩২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য ২০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় কারখানা প্রাঙ্গণে (জাইনা বাজার, টালিহাতি, শ্রীপুর, গাজীপুর) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল, যা আগের বছর ছিল পাঁচ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২৪ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ২২ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৮৫ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫৪ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ২৭ পয়সা। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৫৩ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা। এনএভি বড়েছে ৮৫ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল সাত কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৫৯ লাখ ৮৪ হাজার শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩১ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩০ দশমিক ৭০ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৭ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার।