প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লেনদেনের শীর্ষে বেক্সিমকো

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি (বেক্সিমকো) লিমিটেড ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে গতকাল লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গতকাল কোম্পানিটির দুই কোটি ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৯৪টি শেয়ার মোট সাত হাজার ৬২৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯ হাজার টাকা। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে  পাঁচ দশমিক ৫০ শতাংশ বা এক টাকা ৮০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৩৪ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৪ টাকা ৪০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৩২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩৪ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ২০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৩৪ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৬২ পয়সা। গত বছরের প্রথম ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৫৮ পয়সা।

২০১৪ সালের সমাপ্ত হিসাববছরে ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের সমান। ওই বছর ইপিএস হয়েছিল এক টাকা ছয় পয়সা এবং এনএভি ছিল ৮৫ টাকা ৬২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৬৬ পয়সা ও ৯৬ টাকা ১৫ পয়সা। কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৪ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। চলতি বছরে প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছিল ৩৪ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ১৬ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ১৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ৮৪ টাকা ২৭ পয়সা। এটি চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ৮৩ টাকা ৮৪ পয়সা। তিন মাসে এনএভি বেড়েছে ৪৩ পয়সা। ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (ইসিআরএল) ক্রেডিট রেটিং অনুযায়ী কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘বিবি+’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘ইসিআরএল-৪’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আলোকে  এ রেটিং সম্পন্ন করেছে কোম্পানিটি।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাতে ৩২ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬৯১ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ চার হাজার ৪৫৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট ৬৯ কোটি ১১ লাখ ৭১ হাজার ৩৫৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ২০ দশমিক ১৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৫৬ দশমিক ১৯ শতাংশ শেয়ার।