প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লেনদেনের ১১.৫৬% লাফার্জহোলসিমের

রুবাইয়াত রিক্তা: একদিন সংশোধনের পর পুঁজিবাজারে গতকাল ফের ইতিবাচক গতি ফিরেছে। ৫১ শতাংশ কোম্পানির দর বৃদ্ধিতে সূচক ও লেনদেন গতিশীল হয়ে ওঠে। আগেরদিন টেলিযোগাযোগ ছাড়া সব খাতের দর সংশোধন হয়। অন্যদিকে গতকাল সংশোধন হয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতে। এ খাতের দুই কোম্পানি বড় দরপতনের কবলে পড়ে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে গ্রামীণফোনের আয় ও মুনাফা বাড়লেও কোম্পানিটির লভ্যাংশের পরিমাণ কমে গেছে। গ্রামীণফোন ২০১৮ সালে সর্বমোট ২৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিলেও ২০১৯ সালে দিচ্ছে ১৩০ শতাংশ নগদ। লভ্যাংশের পরিমাণ কমে যাওয়াতে গতকাল গ্রামীণফোনের শেয়ার বিক্রির প্রবণতা বেড়ে যায়। ১৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা লেনদেন হলেও জিপির দর কমেছে পাঁচ টাকা ৪০ পয়সা। গতকাল বাজারের একক নেতৃত্ব ছিল সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের হাতে। কোম্পানিটির ৪০ কোটি ৪২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা। এর কারণে সিমেন্ট খাতের লেনদেন বেড়ে ১০ শতাংশ হয়েছে। ডিএসইর মোট লেনদেনের সাড়ে ১১ শতাংশ ছিল লাফার্জহোলসিমের দখলে। 

এদিকে গতকাল ডিএসইতে ১৭ শতাংশ লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে প্রকৌশল খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৬ শতাংশ কোম্পানির। এসএস স্টিলের ১৪ কোটি তিন লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর কমেছে ৫০ পয়সা। ন্যাশনাল পলিমারের ১০ কোটি ১০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে অষ্টম অবস্থানে ছিল। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে কপারটেক দর বৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৪৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ১০ পয়সা। দর বৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে থাকা রহিম টেক্সটাইলের দর সাড়ে আট শতাংশ বেড়েছে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৬৫ শতাংশ কোম্পানরি দর বেড়েছে। স্কয়ার ফার্মার ১১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ২০ পয়সা। ইন্দোবাংলা ফার্মার দর আট শতাংশ এবং বীকন ফার্মার দর সাত দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। বিমা খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের দর বেড়েছে সাড়ে ৯ শতাংশ। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৮০ পয়সা। ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়ে জ্বালানি খাতের জিবিবি পাওয়ার দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। পাট খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। পৌনে ৯ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে নর্দার্ণ জুট। তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের এডিএন টেলিকমের ১৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে আড়াই টাকা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। খাদ্য খাতের বিএটিবিসির সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ১৮ টাকা।