দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

লেনদেনের ১৩২ কোটি টাকাই প্রকৌশল খাতের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যে দিয়ে গতকাল লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)। দিনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকলেও দিন শেষে তা অব্যাহত থাকেনি। সকালে সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে। ফলে শেয়ারদর কমার পাশাপাশি সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। দিন শেষে ২৫ পয়েন্ট কমে প্রধান সূচক স্থির হয় চার হাজার ৭৩৩ পয়েন্টে।

এদিকে আগের কার্যদিবসের মতো গতকালও লেনদেনের দৌড়ে এগিয়ে ছিল প্রকৌশল খাত। টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে এ খাতের শেয়ার। গতকাল লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯টি খাতের ৩৫৫টি কোম্পানির ৭৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৩২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার বা ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ লেনদেনের মাধ্যমে শীর্ষ স্থানে উঠে আসে এ খাত।

অন্যদিকে আগের কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় গতকালও লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। গতকাল এ খাতের ১১৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ।

এদিকে ৮৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৭৯ শতাংশ লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে ওষুধ ও রসায়ন খাত। অন্য দুই খাতের মতো এ খাতের শেয়ারেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা যায়।

এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৬৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বা আট দশমিক ৮০ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ৪৭ কোটি তিন লাখ টাকা বা ছয় দশমিক ২২ শতাংশ, বিমা খাতে ৪৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বা পাঁচ দশমিক ৯৪ শতাংশ, টেলিযোগাযোগ খাতে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বা পাঁচ দশমিক ৯০ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৩৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বা পাঁচ দশমিক ২৮ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে ৩৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা চার দশমিক ৪৮ শতাংশ, বিবিধ খাতে ৩০ কোটি ১৫ লাখ টাকা বা তিন দশমিক ৯৯ শতাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা বা দুই দশমিক ৫৩ শতাংশ, পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাতে ১৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ২৩ দশমিক শূন্য শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ১৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা দুই দশমিক ৩০ শতাংশ, আর্থিক খাতে ১৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা বা দুই দশমিক ২২ শতাংশ, সিরামিক খাতে ১২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বা এক দশমিক ৬৭ শতাংশ, চামড়া খাতে আট কোটি ৯৬ লাখ টাকা বা এক দশমিক ১৮ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে ছয় কোটি ১৯ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে পাঁচ কোটি সাত লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং পাট খাতে চার কোটি ২২ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ লেনদেন হয়।

এদিকে গতকালও ভালো কোম্পানির পাশাপাশি কিছু দুর্বল কোম্পানির শেয়ারদর বাড়তে দেখা গেছে। হাক্কানী পাল্প, ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ, তসরিফা, শ্যামপুর সুগারসহ আরও কিছু দুর্বল প্রতিষ্ঠানের দর বৃদ্ধি ছিল চোখে পড়ার মতো। এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে সতর্ক থাকার পরমর্শ দিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..