দিনের খবর প্রথম পাতা

লেনদেনের ৪৩ শতাংশ বিমার

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে বড় পতন ঘটেছে। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের মতো চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও বিনিয়োগকারীরা বড় পতন দেখেছেন। প্রথম দিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক কমেছে ৯০ পয়েন্ট। লেনদেন শেষে সূচকের অবস্থান হয়েছে পাঁচ হাজার ১৬৪ পয়েন্ট। পাশাপাশি কমে গেছে লেনদেন হওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনে এগিয়ে ছিল বিমা খাত। গতকালের বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, লেনদেনের শুরু থেকে সব খাতের শেয়ারে বিক্রয় চাপ বেশি ছিল। তবে এ ক্ষেত্রে সবার শীর্ষে ছিল বিমা খাত। গতকাল এ খাতের শেয়ারই সবচেয়ে বেশি কেনাবেচা হতে দেখা যায়। এর প্রধান কারণ সম্প্রতি বিমা খাতের শেয়ারদর বেড়েছে। গত কয়েকদিন অন্য খাতের তুলনায় এ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারদর বেশি বেড়েছে। ফলে গতকাল খাতটি থেকে মুনাফা তুলেছেন বিনিয়োগকারীরা। যে কারণে বিমা খাতের শেয়ারে বিক্রয় চাপ বেশি দেখা যায়। এর জের ধরে দর কমে। তারপরও শেয়ার বিক্রি অব্যাহত রাখেন বিনিয়োগকারীরা, যা সূচক পতনে ভূমিকা রাখে।

এদিকে বিক্রয় চাপ বেশি কারণে দিন শেষে মোট লেনদেনে এগিয়ে যায় বিমা খাত। গতকাল দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতটির অবদান দেখা যায় প্রায় ৪৩ শতাংশ। লেনদেনে এর পরের অবস্থানে ছিল বিবিধ খাত। দিন শেষে মোট লেনদেনে খাতটি ১৪ শতাংশ অবদান রাখতে সক্ষম হয়। পরের অবস্থানে থাকা টেলিকমিউনিকেশন খাত গতকাল মোট লেনদেনে প্রায় আট শতাংশ অবদান রাখে। এছাড়া বাকি খাতগুলো লেনদেনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেনি।

অন্যদিকে গতকাল দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৪৫৬ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে কম। এর আগের কার্যবিদবসে ডিএসইতে মোট ৪৭৫ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনে মধ্যে ব্লক মার্কেটের ছিল ৯ কোটি টাকা। গতকাল এই মার্কেটে মোট ১৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়। এদিন ডিএসইতে মোট ৩৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে দর বাড়ে মাত্র ২৪টি। এছাড়া ২৬৬টির দর কমে। ৫২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। তবে দর কমেছে ‘এন’ ক্যাটেগরির শতভাগ শেয়ারের। এ ধরনের ১১টির কোম্পানির সবগুলোর শেয়ারদরের পতন হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..