দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

লেনদেনের ৭৭% চার খাতের

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে সম্প্রতি টানা দর পতন চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকালও পতন লক্ষ করা যায়। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক কমতে দেখা যায় ২৩ পয়েন্ট। লেনদেন শেষে সূচকের অবস্থান হয় চার হাজার ৮১৭ পয়েন্টে। সূচক পতনের পাশাপাশি কমে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর। তবে পতনের দিনে একক আধিপত্য দেখিয়েছে চারটি খাত। এছাড়া অন্য খাতের শেয়ারে তেমন চোখ ছিল না বিনিয়োগকারীদের।

গতকালের বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চারটি খাতের কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে আধিপত্য বিস্তার করেছে। এগুলো হচ্ছে বিমা, মিউচুয়াল ফান্ড, ওষুধ ও রসায়ন এবং প্রকৌশল খাত। এর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল বিমা খাত। বহুদিন পর এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়তে দেখা যায়। পাশাপাশি লেনদেনে সর্বোচ্চ একক অবদান রাখতে সক্ষম হয় এ খাতটি।

গতকাল দিন শেষে মোট লেনদেনে বিমা খাতের একক অবদান দেখতে পাওয়া যায় ৩৬ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের একক অবদান দাঁড়ায় প্রায় ১৬ শতাংশ। একইভাবে কয়েক দিন পর গতকাল বেশ উজ্জ্বল ছিল মিউচুয়াল ফান্ড। দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের একক অবদান ছিল ১৫ শতাংশ। এ খাতে বিনিয়োগকারীরা মার্জিন ঋণসুবিধা পাচ্ছেন কি না, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। বিএসইসি থেকে জানানো হয় খাতটিতে মার্জিন ঋণ বহাল আছে। ফলে এ খাতের ইউনিটদর বাড়ে। তালিকায় পরের অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। গতকাল দিন শেষে এ খাতের একক অবদান দেখতে পাওয়া যায় ১০ শতাংশের কিছু বেশি। অর্থাৎ গতকাল মোট লেনদেনে চার খাতের অবদান ছিল ৭৭ শতাংশ।

এদিকে সূচক কমলে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন আগের থেকে কিছুটা বাড়তে দেখা গেছে। গতকাল দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৬২১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট ৪৯৫ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়।

অন্যদিকে গতকালও আগের কার্যদিবসের মতো অপেক্ষাকৃত কম পরিশোধিত মূলধনসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার চাহিদা বেশি ছিল। বেশি মূলধন রয়েছে এমন কোম্পানির চেয়ে এ ধরনের কোম্পানিতেই বেশি চোখ ছিল তাদের। গতকাল ৬৮ শতাংশ বিনিয়োগকারীর আগ্রহ ছিল এ ধরনের কোম্পানিতে। একইভাবে ৩০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে দর রয়েছে, এ ধরনের কোম্পানিতে নজর ছিল সিংহভাগ বিনিয়োগকারীর।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..