প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লেনদেনে একক কর্তৃত্ব লাফার্জহোলসিমের

রুবাইয়াত রিক্তা: সপ্তাহের শেষদিনে উভয় বাজারে সূচক নি¤œমুখী প্রবণতায় ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল প্রায় ৫৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। লেনদেন অপরিবর্তিত ছিল প্রায় কোম্পানির। ছোট-বড় সব খাতেই দরপতনের আধিক্য ছিল। লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে বস্ত্র খাত। তুলনামূলক তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দর বৃদ্ধির হার বেশি ছিল। অন্যদিকে বাজারের একক কর্তৃত্ব ছিল সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিমের। কোম্পানিটির ৫০ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে আড়াই টাকা। দর বৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে ছিল সংস্থাটি। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির আর্থিক বছর শেষ হয়েছে। শিগগিরই পর্ষদ সভায় লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। এ কারণে শেয়ারটির দর ও লেনদেন বাড়ছে। এছাড়া সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৩৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় তিন পয়সা লোকসানে ছিল। লাফার্জহোলসিমের কারণে সিমেন্ট খাতে ১২ শতাংশ লেনদেন হয়।

এছাড়া ১৪ শতাংশ বা ৬২ কোটি ৪১ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে বস্ত্র খাত। এ খাতে ৪১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের প্রায় ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ৮০ পয়সা। ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে মেট্রো স্পিনিং দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। সাড়ে পাঁচ শতাংশ বেড়ে শাশা ডেনিমস ও পৌনে পাঁচ শতাংশ বেড়ে আমান কটন ফাইবার্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৫৬ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। পাঁচ দশমিক শূন্য আট শতাংশ বেড়ে ওইম্যাক্স ইলেকট্রোড দর বৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে উঠে আসে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। ইন্দোবাংলা ফার্মার ১০ কোটি ৩২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে অষ্টম অবস্থানে উঠে আসে। স্কয়ার ফার্মার ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ৫০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এডিএন টেলিকমের ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৮০ পয়সা। বিবিধ খাতের বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ১৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে সাড়ে তিন টাকা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল। এছাড়া সোয়া ৯ শতাংশ বেড়ে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। এসকে ট্রিমসের আট কোটি ৭৩ লাখ টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ২০ পয়সা। জ্বালানি খাতের খুলনা পাওয়ারের প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হলেও ৭০ পয়সা দরপতন হয়। খাদ্য খাতের ফাইন ফুডসের সাত কোটি ৮৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা। এছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতের দুই কোম্পানি দরপতনে ছিল। জিপির (গ্রামীণফোন) দর কমেছে তিন টাকা ৪০ পয়সা।