দিনের খবর প্রথম পাতা

লেনদেনে চার খাতের অবদান ৬৫ শতাংশ

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: আগের কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেলেও গতকাল তার উল্টোচিত্র দেখা গেছে। এক দিনের বিরতি দিয়ে গতকাল আবারও পতনের ধারায় ফিরে গেছে পুঁজিবাজার। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে যায়। লেনদেন শেষে সূচক স্থির হয় পাঁচ হাজার ৫২৭ পয়েন্টে।

একইভাবে কমতে দেখা গেছে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর। গতকাল ডিএসইতে মোট ৩৪৯টি প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার এবং ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে দর হ্রাস পেয়েছে ১৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। পক্ষান্তরে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বৃদ্ধির পাশাপাশি ১০০টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল।

বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগের কার্যদিবসে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের প্রতিয়োগিতা থাকলেও গতকাল ছিল এর বিপরীত ছিল। এদিন সব খাতেরই ছিল শেয়ার বিক্রয়ের চাপ। যে কারণে দিন শেষে অধিকাংশ কোম্পানি ও ফান্ডের শেয়ার এবং ইউনিটদর কমতে দেখা যায়। মূলত সম্প্রতি বাজারে ধারাবাহিক স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি না হওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত রয়েছেন। তারা সর্বক্ষণই পুঁজির নিরাপত্তা নিয়ে ভাবছেন। যে কারণে সামান্য লাভ পেলেই তারা শেয়ার বিক্রি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। গতকালের বাজার চিত্রেও এমন পরিস্থিতি দেখা যায়।

এদিকে মোট লেনদেনে গতকাল চারটি খাতের অবদান ছিল ৬৫ শতাংশ। এর মধ্যে বিবিধ খাত লেনদেনে প্রায় ২৬ শতাংশ অবদান রাখতে সক্ষম হয়। পরের অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের মোট লেনদেনে অবদান দেখা যায় ১৪ শতাংশ। এছাড়া মোট লেনদেনে আর্থিক খাতের ১৩ এবং  খাদ্য খাতের অবদান দেখা যায় ১২ শতাংশ।  এছাড়া প্রকৌশল, টেলিকমিউনিকেশ ও বস্ত্র খাতের লেনদেনে সন্তোষজনক অংশগ্রহণ দেখা যায়। বাকি খাতগুলোর লেনদেনে তেমন অংশগ্রহণ চোখে পড়েনি।

অন্যদিকে সূচকের পাশাপাশি গতকাল ডিএসইতে লেনদেনও আগের চেয়ে কমে যেতে দেখা গেছে। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৯৯৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। আগের কার্যদিবসে সেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৮২ কোটি টাকা। এদিকে গতকাল ডিএসইর ব্লক মার্কেটে মোট ৫৩ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হতে দেখা যায়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..