দিনের খবর প্রথম পাতা

লেনদেনে প্রকৌশল খাতের দাপট

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজারে খাত বদল করে বিনিয়োগ করতে দেখা যাচ্ছে। এ কারণে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন খাতের শেয়ারে ঝুঁকে পড়ছেন বিনিয়োগকারীরা। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি প্রকৌশল খাতের শেয়ারে ঝোঁক বেড়েছে। গতকালের বাজারেও এমন চিত্র দেখা গেছে।

গতকালের বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ছিল প্রকৌশল খাতের শেয়ারে। সকাল থেকেই এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা ছিল বেশি। এ কারণে দর বাড়তে থাকে। দিন শেষে খাতটিতে তালিকাভুক্ত ৪২ কোম্পানির মধ্য দর বাড়তে দেখা যায় ৩২টির। এর জের ধরে মোট লেনদেনে সবার শীর্ষে চলে আসে এ খাত। গতকাল দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান দেখতে পাওয়া যায় ১৭ শতাংশ।

এদিকে মোট লেনদেনে প্রকৌশল খাতের পরের অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। লেনদেনে এ খাতের অবদান দেখা যায় ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে ছিল ব্যাংক খাত। গতকালের লেনদেনে এ খাতের প্রায় ১১ শতাংশ অবদান ছিল। তবে গতকাল ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ কোম্পানিতে ছিল শেয়ার বিক্রির চাপ। মূলত কয়েক দিন ব্যাংক শেয়ারের দর বাড়ার কারণে যারা সম্প্রতি বিনিয়োগ করেছেন তারা মুনাফায় রয়েছেন। মূলত তারাই গতকাল ছিলেন ক্রেতার ভূমিকায়। লেনদেনে চতুর্থ অবস্থানে ছিল বিবিধ খাত। মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান চোখে পড়ে ১০ শতাংশের কিছু বেশি।

এদিকে গতকালও পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা দেখা গেছে। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক বৃদ্ধি পায় ৬০ পয়েন্ট বা প্রায় এক শতাংশ। লেনদেনে শেষে সূচকের অবস্থান হয়েছে ছয় হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে। একইভাবে লেনদেনে হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদরও বাড়তে দেখা যায়। গতকাল লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্য দর বাড়ে ২৪২টির, কমে ১০৩টির এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত থাকে।

অন্যদিকে গতকাল লেনদেনও আগের চেয়ে বাড়তি দেখা যায়। দিন শেষে ডিএসইতে মোট দুই হাজার ৫১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্য ব্লক মার্কেটের লেনদেন ছিল ৩৫ কোটি টাকা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..