দিনের খবর প্রথম পাতা

লেনদেনে বস্ত্র খাতের দাপট

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ:পুঁজিবাজারে ২০১০ সালের ধসের পর সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতিতে ছিল বস্ত্র খাত। ধসের পর টানা কমতে থাকে এ খাতে তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর। দর কমতে কমতে একসময় প্রায় ২৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার অভিহিত দরের নিচে চলে যায়। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার চলে যায় পাঁচ টাকার নিচে। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সম্প্রতি চালকের আসনে ফিরেছে খাতটি।

বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সম্প্রতি একটু একটু করে মোট লেনদেনে অবদান বাড়াচ্ছে বস্ত্র খাত। গতকালও এর ব্যতিক্রম ছিল না। মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান দেখা যায় প্রায় ২০ শতাংশ। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত ৫৮টি কোম্পানির মধ্য দর কমতে দেখা যায় মাত্র একটি কোম্পানির শেয়ারের। তবে বিক্রয় চাপ থাকার কারণে মোট লেনদেনে এগিয়ে যায় বিমা খাত। খাতটি মোট লেনদেনে ২৫ শতাংশ অবদান রাখে।

এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ৫৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে ছয় হাজার ১২৫ পয়েন্টে। অন্যদিকে গতকাল মোট দুই হাজার ৪৩ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্য ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয় ১১৭ কোটি টাকা। গতকাল এ মার্কেটে লেনদেন হয় ৫১ কোটি টাকা। কোম্পানিগুলোর এক কোটি ৫৯ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯টি শেয়ার ১১২ বার হাতবদল হতে দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৯ কোট ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে ফরচুন শুজের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ কোটি ৩৯ হাজার টাকা বেক্সিমকো ফার্মার। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৪ কোটি ৪০ লাখ ৭৫ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে বিডি ফাইন্যান্সের।

এছাড়া ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকোর সাত কোটি ২৮ লাখ টাকা, ব্র্যাক ব্যাংকের এক কোটি ৬৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্লসের ১১ লাখ ২৯ হাজার টাকা, সিটি ব্যাংকের পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ও ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের সাত লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। একইভাবে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের ছয় কোটি ২৫ লাখ ছয় হাজার টাকা, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ইজেনারেশনের ছয় লাখ ২৭ হাজার টাকা, জেনেক্সের ছয় কোটি ৫৯ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও জিবিবি পাওয়ারের ১০ লাখ পাঁচ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..