দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেনে বিমা খাতের একক প্রাধান্য, দর বেড়েছে বস্ত্র খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বেশিরভাগ শেয়ারের দর বৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেন ও সূচকের ইতিবাচক গতিতে লেনদেন হয়। ডিএসইতে দর বেড়েছে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির। কমেছে ৩৮ শতাংশের। তবে শেয়ারদর যে হারে বেড়েছে সে অনুপাতে সূচক ইতিবাচক হতে পারেনি। ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে মাত্র পাঁচ পয়েন্ট। এর কারণ গতকাল লেনদেন বৃদ্ধিতে একক প্রাধান্য ছিল বিমা খাতের। অন্যদিকে শেয়ার কেনার চাহিদা ছিল বস্ত্র খাতে। এ দুই খাতের অধিকাংশ কোম্পানি ছোট মূলধনি হওয়াতে বাজারে প্রভাব কম ছিল। লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এছাড়া প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন এবং বিবিধ খাতে শেয়ার কেনার চাহিদা থাকলেও এসব খাতে লেনদেনের পরিমাণ খুবই কম ছিল।

গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৫ শতাংশ বা ১১৫ কোটি টাকা হয় বিমা খাতে। এ খাতে ৬৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ১৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা লেনদেনে হয়ে শীর্ষে উঠে আসে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স। এক টাকা ৩০ পয়সা দরপতনে ছিল কোম্পানিটি। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের আট কোটি ৬৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ১০ পয়সা। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আট কোটি ২২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। নর্দান ইন্স্যুরেন্সের আট কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৩০ পয়সা। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ। এ খাতে ৬৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় ৫০ শতাংশ ছিল বস্ত্র খাতের দখলে। চলতি বছরে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের নিউলাইন ক্লোথিং ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এরপরে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, সায়হাম কটন, রিজেন্ট টেক্সটাইল ও হামিদ ফ্রেবিকস দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। এসব শেয়ারের দর প্রায় সাত থেকে সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে সায়হাম কটনের সোয়া সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে দরপতনের হার কম হলেও বেশিরভাগ কোম্পানির দর অপরিবর্তিত ছিল। আর কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি। বিবিধ খাতে ৭৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের সোয়া ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে উঠে আসে। এসকে ট্রিমসের প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৫৯ শতাংশ ও প্রকৌশল খাতে ৪৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। জ্বালানি খাতের ডরিন পাওয়ারের আট কোটি ৪১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে চার টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানির দর বৃদ্ধিতে অষ্টম অবস্থানে উঠে আসে। সিরামিক খাতে ৮০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ছোট খাতগুলোর মধ্যে টেলিযোগাযোগ, চামড়া শিল্প নেতিবাচক ছিল। ভালো অবস্থানে ছিল সিরামিক, ভ্রমণ ও অবকাশ, সেবা ও আবাসন, কাগজ ও মুদ্রণ খাত।  

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..