প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেন ও দর বৃদ্ধিতে একক প্রাধান্য ওষুধ খাতের

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল ইতিবাচক গতিতে লেনদেন হয়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতন সত্ত্বেও সূচক ইতিবাচক ছিল। লেনদেন সামান্য বেড়েছে। সূচক ইতিবাচক করতে ভূমিকা রেখেছে গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, বার্জার পিবিএল, বিএটিবিসির মতো বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারদর ইতিবাচক থাকা। তবে গতকাল লেনদেনে একক প্রাধান্য ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। মোট লেনদেনের এক চতুর্থাংশ হয় এ খাতে। লেনদেনের পাশাপাশি দরও বেড়েছে এ খাতের শেয়ারের। এছাড়া টেলিযোগাযোগ ও পাট খাত ইতিবাচক অবস্থানে ছিল। বাকি খাতগুলোতে দরপতনের হার বেশি ছিল।
গতকাল ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১০৯ কোটি টাকা বা ২৫ শতাংশ। এ খাতে ৭৫ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সোয়া ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে স্কয়ার ফার্মা শীর্ষে উঠে আসে। দর বেড়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা। সিলকো ফার্মার সাড়ে ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ৬০ পয়সা দরপতন হয়। বীকন ফার্মার প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। ইন্দোবাংলা ফার্মার পৌনে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে এক টাকা। কোম্পানিটি হংকংয়ে ওষুধ রফতানি করার জন্য সে দেশের একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে কোম্পানিটি। জেএমআই সিরিঞ্জের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে চার টাকা। অ্যাডভেন্ট ফার্মা ও ওরিয়ন ইনফিউশনের সাড়ে আট কোটি টাকা করে লেনদেন হলেও দরপতনে ছিল। ওয়াটা কেমিক্যালের আট কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এছাড়া প্রায় ছয় শতাংশ বেড়ে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন, সোয়া পাঁচ শতাংশ বেড়ে ফার্মা এইড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। এরপরে প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৮ শতাংশ। এ খাতে ৪৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। রানার অটোমোবাইলের প্রায় ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে তিন টাকা ৮০ পয়সা। এসএস স্টিলের সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। সাড়ে ছয় শতাংশ বেড়ে মুন্নু জুট স্টাফলার্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ৯ শতাংশ। এ খাতে ৩৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সোয়া ছয় শতাংশ বেড়ে স্টাইল ক্রাফট ও সাড়ে পাঁচ শতাংশ বেড়ে ভিএফএস থ্রেড ডায়িং দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। আর কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি। জ্বালানি খাতে ৩৬ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইউনাইটেড পাওয়ারের প্রায় ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় চার টাকা ২০ পয়সা। টেলিযোগাযোগ ও পাট খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। গ্রামীণফোনের দর সাড়ে সাত টাকা এবং বিএসসিসিএলের দর দেড় টাকা বেড়েছে। পাট খাতের সোনালী আঁশের দর প্রায় সাত শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। সিরামিক খাতের মুন্নু সিরামিকের প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে চার টাকা ৮০ পয়সা।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..