দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেন ও দর বৃদ্ধিতে বিমা খাতের একক প্রাধান্য

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল সূচকের মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। বেড়েছে ৩৬ শতাংশের দর। ডিএসইএক্স ও ডিএস৩০ সূচকের পতন হয়। ইতিবাচক ছিল ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক। লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা। গতকাল থেকে ফের স্পট মার্কেটে লেনদেন শুরু হয়েছে। এদিন ডিএসইতে ৩৫৪ কোম্পানির লেনদেন হওয়াতে স্বাভাবিকভাবেই লেনদেন বেড়েছে। লেনদেন ও দর বৃদ্ধিতে একক প্রাধান্য ছিল বিমা খাতের। বাকি খাতগুলোতে দরপতনের আধিক্য ছিল। ক্ষুদ্র দু’একটি খাত ইতিবাচক ছিল। অধিকাংশ খাতেই লেনদেন বেড়েছে।

মোট লেনদেনের ১৯ শতাংশ বা ৭০ কোটি টাকা লেনদেন হয় বিমা খাতে। এ খাতে ৮৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকার ৬০ শতাংশ ছিল বিমা খাতের দখলে। ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স এ তালিকায় অবস্থান করে। এসব শেয়ারের দর সাড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে সাত শতাংশ বেড়েছে। সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দর অপরিবর্তিত ছিল। এরপরে ১৬ শতাংশ লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতে ৫৬ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। ন্যাশনাল টিউবসের সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় সাড়ে সাত টাকা। ন্যাশনাল পলিমারের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে চার টাকা। সুহƒদ ইন্ডাস্ট্রিজের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় ৬০ পয়সা। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে ওয়াটা কেমিক্যালের সাড়ে ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ১৯ টাকা। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে দরপতন হয় ৪৩ শতাংশ কোম্পানির। ৩৩ শতাংশের দর অপরিবর্তিত ছিল। উত্তরা ব্যাংকের পৌনে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর অপরিবর্তিত ছিল। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় ২০ পয়সা। এছাড়া বস্ত্র খাতে ৬৪ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। জ্বালানি খাতে ৫২ শতাংশের দরপতন হয়। খুলনা পাওয়ারের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। এছাড়া বিবিধ খাতের এসিআই লিমিটেড প্রায় ছয় শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। কোম্পানিটি সর্বশেষ হিসাববছরের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণায় দর বেড়েছে। যদিও ওই বছর কোম্পানিটির ইপিএস ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা লোকসানে ছিল। এছাড়াও চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস লোকসানে আছে পাঁচ টাকা ৯৯ পয়সা। এছাড়া বি ক্যাটেগরির স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের দর সাড়ে ছয় শতাংশের বেশি বেড়েছে। বি ক্যাটেগরির অপর কোম্পানি পেনিনসুলা চিটাগংয়ের দর ছয় শতাংশ বেড়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..