প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেন-দর বৃদ্ধিতে এগিয়ে জ্বালানি ও বস্ত্র খাত

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল বেশিরভাগ শেয়ারের দর বাড়লেও সে অনুপাতে সূচক বাড়েনি। লেনদেনের শুরুতে কেনার চাপ থাকলেও আধা ঘণ্টার মধ্যে বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। যে কারণে ডিএসইএক্স ও ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক নেতিবাচক না হলেও ডিএস৩০ সূচক নেতিবাচক অবস্থানে চলে যায়। গতকাল বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি ছিল বস্ত্র ও বিবিধ খাতের শেয়ারে। আর এ দুই খাতের কোম্পানিগুলো ছোট মূলধনি হওয়ায় সূচকে তেমন প্রভাব পরেনি। অন্যদিকে জ্বালানি খাতে আগের দিনের তুলনায় চার শতাংশ লেনদেন বেড়েছে।
ওষুধ ও রসায়ন খাত লেনদেনের শীর্ষে থাকলেও গতকাল এ খাতে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে। এ খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৬ শতাংশ বা প্রায় ৭৬ কোটি টাকা। লেনদেন কমেছে চার শতাংশ। দর বেড়েছে ৪০ শতাংশ কোম্পানির। জেএমআই সিরিঞ্জের সোয়া ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর কমেছে ১০ টাকা ৬০ পয়সা। ওরিয়ন ইনফিউশনের সোয়া ১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর কমেছে ৬০ পয়সা। বীকন ফার্মার সাড়ে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। সিলকো ফার্মার সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৮০ পয়সা। সাড়ে ছয় শতাংশ বেড়ে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। জ্বালানি ও বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ করে। জ্বালানি খাতে চার শতাংশ ও বস্ত্র খাতে লেনদেন বেড়েছে দুই শতাংশ। জ্বালানি খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। লেনদেনের শীর্ষে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ারের ৩০ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা ৭০ পয়সা। খুলনা পাওয়ারের সোয়া ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। ডরিন পাওয়ারের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। বস্ত্র খাতে গতকাল ৬০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকার ৫০ শতাংশ ছিল বস্ত্র খাতের দখলে। ১০ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে ফ্যামিলি টেক্স। এরপর সায়হাম টেক্সটাইলের দর প্রায় ১০ শতাংশ, আরএন স্পিনিংয়ের দর আট শতাংশ, শাশা ডেনিমের দর সাড়ে ছয় শতাংশ, জেনারেশন নেক্সটের দর প্রায় পাঁচ শতাংশ বেড়েছে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৪৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। মুন্নু জুট স্টাফলার্সের সোয়া ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৫০ টাকা ৪০ পয়সা। এ খাতের এসএস স্টিল ও অ্যাপোলো ইস্পাত দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। বিবিধ খাতে ৬৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে এক টাকা। চামড়াশিল্প খাতের ফরচুন সুজের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। কাগজ ও মুদ্রণ খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় মাত্র চার শতাংশ।

সর্বশেষ..