প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

লেনদেন বৃদ্ধির জন্য চাই সুখবর

 

রুবাইয়াত রিক্তা: বাজার নিয়ে নেতিবাচক কথাবার্তা কেউই পছন্দ করেন না। তারপরও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে অনেক সময় বলতে হয়। চলতি মাসের প্রথম দিকে বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছিল জুনের শেষদিকে যারা বড় অঙ্কের বিনিয়োগ নিয়ে বাজারে ঢুকেছেন, তারা কিন্তু মুনাফা নিয়ে চলে যাবেন। তখন বাজারের সূচক পড়বে। নতুন বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে এও বলা হয়েছিল, বাজার উত্থানের পর পতন হয়। আবার পতনের পর উত্থান হয়। তবে টানা পতনের পর টানা উত্থান জরুরি হলেও দেশের পুঁজিবাজারে তা সহজে হয় না। গত এক মাসে বাজারে সূচক প্রায় ৪০০ পয়েন্ট বেড়েছে। এটা টানা পতনের পর টানা উত্থান। আর এ টানা উত্থানকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই লাভ করেছেন। অনেকেই লোকসান কমিয়েছেন। তারপরও অনেক বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিও ঋণাত্মক। তাই সতর্ক হয়ে বিনিয়োগ করুন। অনেকেই আমাদের সতর্কবার্তা পছন্দ করেননি। টেলিফোনে সমালোচনা করেছেন; কিন্তু তারাই এখন টেলিফোনে দুঃখ প্রকাশ করছেন।

বাজারে সূচক বাড়বে ও কমবে। তবে লেনদেন বেশি হলে কোনো সমস্যা নেই। লেনদেন কম হলে তা বাজারের জন্য উদ্বেগজনক। গতকাল বাজারে লেনদেন কমেছে ৪৩৩ কোটি টাকা। হাজার কোটি টাকা থেকে দুদিনে নেমে এসেছে ৬৩৬ কোটি টাকায়। এটা মোটেও শুভ লক্ষণ নয়। বাজারে একটি কথা প্রচলিত রয়েছেÑহাজার কোটি টাকা লেনদেন হলে সূচক ছয় থেকে সাত হাজারে উন্নীত হবে। আর এটা ধরে রাখতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আরও উদার হতে হবে। তাদের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে হবে। মুনাফা তুলে না নিয়ে লেনদেন চালু রাখতে হবে। গতকাল বাজারে সূচক ছয় পয়েন্ট বাড়লেও বাজারের আচরণ মোটেও ইতিবাচক ছিল না। গতকালের বাজারের আচরণে মনে হয়েছে আস্থা সংকটে ভুগছেন বিনিয়োগকারীরা। পাশাপাশি মুনাফা তুলে নিচ্ছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে হবে। বাজার গতিশীল হয়Ñএমন সুখবর দিতে হবে বিনিয়োগকারীদের। তাহলেই সূচক ছয় হাজার পয়েন্টের লক্ষ্যে পৌঁছাবে। পাশাপাশি বাজারও গতিশীল হবে।