প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেন বেড়েছে জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা: অবশেষে গতকাল সপ্তাহের শেষদিনে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তায় বাজার ইতিবাচক হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬৩ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার কেনায় সূচক ইতিবাচক হওয়ার পাশাপাশি লেনদেন বেড়ে ৩০০ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। বৃহৎ খাতগুলোতে অধিকাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। তবে ক্ষুদ্র খাতগুলোর দু-একটি ছাড়া বাকিগুলোও ইতিবাচক ছিল। তবে সবচেয়ে ইতিবাচক ছিল জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। এ খাতের দর ও লেনদেন দুটোই বেড়েছে। ব্যাংক খাতও তুলনামূলক ভালো অবস্থানে ছিল। এছাড়া বড় মূলধনি কোম্পানি গ্রামীণফোন, ইউনাইটেড পাওয়ার, আইসিবি, বিএটিবিসি, বার্জার পিবিএল ও স্কয়ার ফার্মার দর বৃদ্ধি সূচকে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।

১৬ শতাংশ বা সাড়ে ৪৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাত। এ খাতে ৮৪ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। এ খাতের ন্যাশনাল টিউবসের সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১৩ টাকা ৩০ পয়সা। মুন্নু জুট স্টাফলার্সের সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় ১৮০ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানিটি এতদিন দর বৃদ্ধিতে চমক দেখালেও বছর শেষে লভ্যাংশ দেওয়ার ক্ষেত্রে চমক দেখাতে ব্যর্থ হয়। বরং ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে ঘোষণা করায় হতাশ হন বিনিয়োগকারীরা। ফলে দরপতনের শীর্ষে উঠে আসে কোম্পানিটি। এছাড়া বিবিএস কেব্লসের প্রায় সাত কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় এক টাকা ২০ পয়সা। সাড়ে ৯ শতাংশ করে দর বেড়ে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ও রানার অটোমোবাইল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। ব্যাংক খাতে লেনদেন দুই শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৪৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। যমুনা ব্যাংকের প্রায় আট কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ২০ পয়সা। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ছয় কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ২০ পয়সা। ১২ শতাংশ করে লেনদেন হয় জ্বালানি ও বিমা খাতে। জ্বালানি খাতে দর বেড়েছে ৮৯ শতাংশ কোম্পানির। ইউনাইটেড পাওয়ারের সোয়া আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে পাঁচ টাকা। খুলনা পাওয়ারের প্রায় আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে তিন টাকা ২০ পয়সা। বিমা খাতে ৬২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন

হয় এক টাকা ৩০ পয়সা। ওষুধ খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ।

এ খাতে ৭২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সিলকো ফার্মার সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়।

দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। এমবি ফার্মার দর

প্রায় ৯ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের

মধ্যে উঠে আসে। বস্ত্র খাতে ৮০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের

ঘোষণা সত্ত্বেও আলহাজ্ব টেক্সটাইল দর বৃদ্ধির

শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া এ্যাসকোয়ার নিট, কাট্টলী টেক্সটাইল, আনলিমা ইয়ার্ন, আমান কটন

ফাইবার্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। টেলিযোগায়োগ খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। গ্রামীণফোনের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে সাড়ে পাঁচ টাকা। 

সর্বশেষ..