প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

লেনদেন বেড়েছে বস্ত্র ওষুধ ও রসায়ন খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা: টানা তিন কার্যদিবস পতনের পর গতকাল সামান্য ইতিবাচক হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও ইতিবাচক ছিল। কমেছে ডিএস৩০ সূচক। গতকাল ডিএসইতে ৫৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কমেছে ৩০ শতাংশের দর। ডিএস ৩০ সূচকে তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতনে সূচকটি নেতিবাচক অবস্থানে ছিল। গতকাল ডিএসইতে প্রায় সব খাতের শেয়ারদর বেড়েছে। তুলনামূলক কম বেড়েছে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক খাতে। লেনদেনের শীর্ষে ছিল বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ দুই খাতে লেনদেনে ও দর দুটোই বেড়েছে। তবে গতকাল বৃহৎ খাতগুলোর মধ্যে শেয়ার কেনার চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল প্রকৌশল খাতে।

গতকাল ছয় শতাংশ বেড়ে বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৭ শতাংশ। এ খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের স্টাইল ক্রাফট লেনদেন ও দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। প্রায় ২৭ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ১৬১ টাকা ৮০ পয়সা। কোম্পানিটি সর্বশেষ বছরের জন্য ১৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণার পাশাপাশি কোম্পানির কার্যক্রম উন্নয়নে ৬০ লাখ টাকার অনুমোদন দিয়েছে। এ খবরে শেয়ারটি দর বৃদ্ধি ও লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া জাহিন স্পিনিং, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, ফ্যামিলি টেক্সটাইল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৫ শতাংশ। এ খাতে ৭৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। জেএমআই সিরিঞ্জের প্রায় আট কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৩৩ টাকা ৭০ পয়সা। ওয়াটা কেমিক্যালের সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে সাড়ে ৪২ টাকা। ৯ শতাংশ বেড়ে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল ও পৌনে ৯ শতাংশ বেড়ে ফার্মাএইড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৫ শতাংশ। এ খাতে ৮৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ন্যাশনাল টিউবসের ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১২ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়ে ইয়াকিন পলিমার ও ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়ে সুহƒদ ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। অন্যদিকে মুন্নু জুট স্টাফলার্সের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ৪৫ টাকা ৪০ পয়সা। ব্যাংক খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাড়ে চার কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৩০ পয়সা। বিমা খাতে ৪৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় ২০ পয়সা। জ্বালানি খাতে ৬৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। পাট খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। নর্দান জুটের সোয়া পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ২৬ টাকা। সিরামিক খাতের স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের সাড়ে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৪১ টাকা। মুন্নু সিরামিকের সোয়া আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় সোয়া ছয় টাকা।

সর্বশেষ..