পুঁজিবাজার

শমরিতা হসপিটালের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি শমরিতা হসপিটাল লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৭৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫২ টাকা ৫৫ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে দুই টাকা ৭৬ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় এমএইচ শমরিতা হাসপিটাল অ্যান্ড মেডিক্যাল কলেজ, ১১৭ তেজগাঁও, লাভ রোডে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ডিসেম্বর।

এছাড়া চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। আর গত বছরের তুলনায় এ বছর কোম্পানিটির ইপিএস ৪৪ পয়সা বেড়েছে।

তথ্যমতে, প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের বছর একই সময় ছিল ৪৯ পয়সা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৪৪ পয়সা বেড়েছে। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ৫৩ টাকা ৪৮ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩০ জুনে ছিল ৫২ টাকা ৫৫ পয়সা। আর এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৮৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৭৩ পয়সা।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৪ দশমিক দুই শতাংশ বা আট দশমিক ৯০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৭২ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৭১ টাকা ৮০ পয়সা। ওইদিন তিন লাখ ২৯ হাজার ৪৬৫ শেয়ার মোট ৮৮৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৩৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৬৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭৩ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৫৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৭৯ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল এক টাকা ৩১ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৯৫ পয়সা। ওই সময় মুনাফা করে দুই কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালের একই সময় ইপিএস হয়েছিল দুই টাকা ৩৪ পয়সা এবং এনএভি হয়েছিল ৫২ টাকা ৩০ পয়সা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা করে তিন কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটি ১৯৯৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৭ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৫ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির এক কোটি ৭৯ লাখ ৭৬ হাজার ৪১৬ শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ১৭ দশমিক ২০ শতাংশ, বিদেশি শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৫৪ দশমিক ৮১ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৯ দশমিক ৩০।

সর্বশেষ..