সারা বাংলা

শার্শায় ইছামতি নদীর পানিতে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত

প্রতিনিধি, বেনাপোল: যশোরের শার্শা উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্তবর্তী নদী ইছামতির উজানের পানির প্রভাবে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কয়েকশ’ হেক্টর জমির আমন ফসল তলিয়ে গেছে। আউশ আমনসহ সবজি ক্ষেতও ডুবেছে পানিতে। ভারত থেকে পানি এসে ইছামতি নদী উপচে বাংলাদেশের শার্শা উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন ধরে ইছামতি নদীর পানি বেড়েছে। এ পানি রুদ্রপুর খাল দিয়ে ঢুকে শার্শার দক্ষিণাঞ্চলের মাঠ-ঘাট ভাসিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দক্ষিণের কায়বা, গোগা, বাগআঁচড়া, উলাশী ও পুটখালী ইউনিয়নের বিল অঞ্চল তলিয়ে ভেসে গেছে জমির ফসল। বিশেষ করে ইছামতি নদী খনন না করায় পলি জমে নদী ভরাট হয়ে পানি বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছে।

রুদ্রপুর গ্রামের খালধারপাড়ার সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রতিদিন আধাফুট করে পানি বাড়ছে বিলে। ইছামতির পানি খাল দিয়ে ঢুকে পড়ছে শার্শায়। দাদখালী খালমুখে সøুইস গেট থাকলেও তা ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় পানি আটকানো সম্ভব হচ্ছে না।

কায়বা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, কায়বার ঠেঙামারী, আওয়ালী ও গোমর, পান্তাপাড়া, ডেয়ো ও মহিষা বিলের আশেপাশের প্রায় ৩৫০ হেক্টর জমি এ বছর পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে আউশ, আমন, সবজিসহ নানা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল দুপুরে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মণ্ডলের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দাদখালি খালসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। অবৈধভাবে বাঁধ দেওয়ার অপরাধে দুই হাজার টাকা জরিমানা করে সতর্ক করা হয়েছে কয়েক জনকে।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শৌতম কুমার শীল জানান, ইছমতি নদীটি খনন না করায় বর্ষায় প্রতি বছর নদীর পানি উপচে বাংলাদেশে ঢুকে উপজেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। দাদখালি খালের ওপর নির্মিত সøুইস গেটটি মেরামত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..