দিনের খবর মত-বিশ্লেষণ

শিশুদের প্রতি আলাদা মনোযোগ

করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কভিড-১৯) বিশ্বজুড়ে পারিবারিক জীবন এলোমেলো করে দিয়েছে। সময়ে শিশুসন্তানের প্রতি আলাদা মনোযোগ দিতে হয়। তাদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়, তাদের বোঝাতে হয় প্রজ্ঞার সঙ্গে।

সন্তানকে জিজ্ঞাসা করুন তারা কী করতে চায়: কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে। তারা যদি এমন কিছু করতে চায় যা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়, সেক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার এটি একটি সুযোগ।

একেবারেই ছোট বা সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুর সঙ্গে যা করতে পারেন: তাদের মুখের অভিব্যক্তি ও শব্দ অনুকরণ করুন। গান গেয়ে শোনান, হাঁড়ি ও চামচ দিয়ে বাজনা বাজান। কাপ অথবা ব্লক সারি করে রাখুন। একটি গল্প বলুন, একটি বই পড়ে শোনান বা ছবি শেয়ার করুন।

একটু বড় শিশুর সঙ্গে যা করতে পারেন: একটি বই পড়ে শোনান বা ছবি দেখান। হালকা রঙের চকখড়ি বা পেন্সিল দিয়ে ছবি এঁকে দিন। গানের সঙ্গে নাচুন বা গান গেয়ে শোনান! একসঙ্গে কিছু একটা করুন। কিছু একটা পরিষ্কার করার বা রান্না করার খেলা খেলুন। শিশুর স্কুলের কাজে সাহায্য করুন।

কিশোর-কিশোরী সন্তানের সঙ্গে যা করতে পারেন: তারা পছন্দ করে এমন কিছু নিয়ে কথা বলুনÑখেলাধুলা, সংগীত, খ্যাতিমান ব্যক্তি, বা বন্ধু। পছন্দের কোনো খাবার একসঙ্গে রান্না করুন। তাদের পছন্দের গানের সঙ্গে একত্রে শরীরচর্চা করুন। তাদের কথা শুনুন, তাদের দিকে তাকান। তাদের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন। মজা করুন!

কভিডকালে ইতিবাচক থাকা: আমাদের শিশু বা কিশোর বয়সি সন্তানেরা যখন তাদের কর্মকাণ্ড দিয়ে আমাদের পাগল করে তোলে, তখন ইতিবাচক থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায়ই আমরা একটি কথা বলে শেষ করিÑ‘এটা করা বন্ধ করো!’ তবে আমরা যদি শিশুদের ইতিবাচক নির্দেশনা দিই এবং তারা কাজটি ঠিকঠাক করতে পারলে যদি তাদের প্রশংসা করিÑতাহলে আমরা যা করতে বলব, শিশুরা সেটা করতেই বেশি আগ্রহী থাকবে।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..