মত-বিশ্লেষণ

শিশুদের সঙ্গে বয়সোপযোগী ভাষা ব্যবহার করুন

মাস্ক খোলার সময় কী করতে হবে: মাস্কটি খোলার আগে দুই হাত ধুয়ে নিন। ইলাস্টিক বন্ধনী বা গিটগুলো ধরে মাস্কটি খুলুন। মাস্কের সামনের অংশে স্পর্শ করা এড়িযে চলুন। মাস্ক খোলার পর আপনার দুই হাত ধুয়ে নিন। কাপড়ের মাস্ক প্রতিবার ব্যবহারের পরে ধুয়ে ফেলা এবং একটি পরিষ্কার ব্যাগে সংরক্ষণ করা উচিত। মেডিকেল মাস্কগুলো একবার ব্যবহার উপযোগী এবং ব্যবহারের পর এগুলো ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেয়া উচিত।

সাধারণ ভুল পরিহার করা চাই: এক. টেনে নাকে নিচে নামাবেন না; দুই. থুতনি উš§ুক্ত রাখবেন না; তিন. টেনে থুতনির নিচে নামাবেন না; চার. মাস্ক পরার সময় এটি স্পর্শ করবেন না; পাঁচ. ঢিলাঢালা মাস্ক পরবেন না; ছয়. ময়লা, নষ্ট বা ভেজা মাস্ক পরবেন না।

শিশুদের সঙ্গে মাস্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলুন: কভিড-১৯ মহামারিটি বিশ্বজুড়ে পারিবারিক জীবনকে হতাশাগ্রস্ত করে তুলেছে, যা মানুষের মধ্যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও দুঃখবোধ তৈরি করেছে। বোধগম্যভাবে মাস্ক অনেক শিশুর মাঝেও এই ধরনের অনুভূতির জš§ দিতে পারে, বিশেষ করে এমন জায়গায়গুলোয় যেখানে তারা মাস্ক পরতে অভ্যস্ত নয়। ছোট শিশুদের জন্য মাস্ক পরা বিভ্রান্তিকর ও ভীতিকর হতে পারে। আগে মাস্ক পরে না থাকলে শিশুদের সঙ্গে এটি নিয়ে কথা বলার সময় সহায়ক উপায় অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ। মাস্ক পরার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য বারবার মনে করিয়ে দিন যে এর ধারাবাহিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। আপনার শিশুদের এটাও মনে করিয়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ যে, তাদের নিজেদের ও অন্য সবাইকে সুরক্ষিত রাখতে মাস্ক পরার পাশাপাশি সবসময় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও (যেমন শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, ঘনঘন হাত ধোয়া) গ্রহণ করা উচিত। আপনার পরিবারে মাস্কের ব্যবহার শুরু করার জন্য কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হলো।

সততা বজায় রাখুন: শিশুর সঙ্গে বয়স-উপযুক্ত ভাষা ব্যবহার করুন এবং তাদের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীল হোন। স্বীকার করুন, মাস্ক আমাদের কারও জন্যই খুব সুখকর কোনো বিষয় নয়। তবে কীভাবে মাস্ক পরিধান করে আমরা সমাজের প্রবীণ এবং অনেক বেশি দুর্বল সদস্যসহ আমাদের চারপাশের মানুষদের সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করতে পারি, তা ব্যাখ্যা করুন। মাস্ক পরার অর্থ হচ্ছে, আমরা একে অপরের প্রতি যতœশীল। তাদের মনে করিয়ে দিন, কভিড-১৯ থামাতে অনেক বিশেষজ্ঞ কঠোর পরিশ্রম করছেন। মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, শুধু মাস্ক পরলেই তা আমাদের নিরাপদ করবে না, আমাদের স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলতে হবে। বাইরের লোকদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..